হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান। ঢাকার উত্তরায় থাকি, প্রফেশনালি ওয়েব ডেভেলপার। আমার বয়স ২৮। গত বছর একটা ব্লগ সাইট বানাতে গিয়ে আমার জীবনের সবচেয়ে ময়লা আর উত্তেজনাকর অভিজ্ঞতাটা হয়েছিল। সেই গল্পটা তোমাদের বলি, একদম খোলাখুলি, যেভাবে হয়েছে ঠিক সেভাবে।
সব শুরু হয়েছিল যখন আমি “বাংলা চোটি গল্প WordPress” নামে একটা সাইট বানানোর কাজ নিলাম। ক্লায়েন্ট ছিল রুমানা আপু, বয়স ৩৫, ঢাকার গুলশানে থাকেন। স্বামী বিদেশে থাকেন, নিজে একটা ছোট ব্লগ চালান যেখানে বাংলায় এরোটিক গল্প পোস্ট করা হয়। তিনি আমাকে বললেন, সাইটটা ওয়ার্ডপ্রেসে সেটআপ করে দিতে হবে, প্লাগিন লাগাতে হবে, আর কিছু পোস্ট আপলোড করতে হবে। প্রথম মিটিংয়ে যখন তার ফ্ল্যাটে গেলাম, তখনই বুঝতে পারলাম এটা শুধু কাজের কথা হবে না।
রুমানা আপু দরজা খুললেন। লম্বা চুল, টাইট টপারে বড় বড় স্তন দুটো ফুলে উঠে আছে, নিচে শাড়ি পরা। শাড়ির আঁচল একটু সরে গিয়েছিল, তাই তার গোলাপি নাভি আর নরম পেটের চামড়া দেখা যাচ্ছিল। আমি ভিতরে ঢুকতেই তিনি হাসলেন, “সিয়াম, বসো। চা খাবে?” আমি বললাম, “জি আপু, কাজের কথা বলি।” কিন্তু তার চোখে যে ঝলকটা ছিল, সেটা কাজের চোখ না।
আমরা ল্যাপটপ খুলে বসলাম। আমি ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করছি, থিম সেট করছি। রুমানা আপু পাশে বসে আছেন। হঠাৎ তার হাত আমার উরুর উপর পড়ল। “সিয়াম, এই প্লাগিনটা কেমন?” বলতে বলতে আঙুল দিয়ে আমার জাঙ্গিয়ার কাছে চাপ দিলেন। আমার ধোনটা সাথে সাথে শক্ত হয়ে উঠল। আমি বললাম, “আপু, এটা…

এরকম করবেন না।” তিনি হাসলেন, “কেন? তোমার ব্লগের গল্পগুলো তো এরকমই হয়। আমি জানি তুমি চোটি পড়ো।”
তারপর আর কোনো কথা হলো না। রুমানা আপু সোজা আমার ঠোঁটে চুমু খেলেন। তার জিভ আমার মুখে ঢুকে আমার জিভ চুষতে লাগল। আমি তার শাড়ির উপর দিয়ে তার স্তন দুটো চেপে ধরলাম। স্তন দুটো ভারী, নরম, আর বোঁটা দুটো শক্ত হয়ে উঠেছে। আমি শাড়ি খুলে ফেললাম। নিচে শুধু লাল রঙের ব্রা আর প্যান্টি। ব্রা খুলতেই তার বড় বড় স্তন দুটো লাফিয়ে বেরিয়ে এলো। আমি একটা স্তন মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম, আরেকটা হাত দিয়ে মাথামাখি করতে লাগলাম। রুমানা আপু আঃ আঃ করে শব্দ করছেন, “সিয়াম, আরো জোরে চুষ, আমার বোবা দুটো কামড়ে দে।”
আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। তার প্যান্টি খুলে ফেললাম। তার ভোদাটা পুরোপুরি কামে ভেজা, চুল কামানো, ঠোঁট দুটো গোলাপি আর ফোলা। আমি তার ভোদায় মুখ ডুবিয়ে দিলাম। জিভ দিয়ে তার ক্লিট চাটতে লাগলাম, আর দুই আঙুল ভিতরে ঢুকিয়ে আঙুল চালাতে লাগলাম। রুমানা আপু চিৎকার করে উঠলেন, “আরে সিয়াম, তোর জিভ দিয়ে আরো ভিতরে ঢোকা, আমার ভোদা চাট, আমি তোর মুখে মাল ফেলবো!” তার ভোদা থেকে ঝরঝর করে রস বেরোচ্ছে, আমি সব চেটে খাচ্ছি।
তারপর তিনি আমার প্যান্ট খুলে দিলেন। আমার ৭ ইঞ্চি লম্বা মোটা ধোনটা লাফিয়ে বেরিয়ে এলো। রুমানা আপু চোখ বড় বড় করে বললেন, “উফফ, এত বড়? আমার গুদে ঢুকবে?” তিনি আমার ধোন মুখে নিয়ে চুষতে লাগলেন। তার জিভ দিয়ে আমার লাল মাথাটা চাটছে, আর গলা পর্যন্ত নিচ্ছে। আমি তার মাথা চেপে ধরে তার মুখে চোদাচ্ছি। “আপু, তোমার মুখের ভিতরটা গরম, আরো জোরে চুষো।”
প্রায় আধ ঘণ্টা এভাবে চলল। তারপর আমি তাকে ডগি স্টাইলে ফেললাম। তার পাছা তুলে ধরে আমার ধোন তার ভোদায় ঢুকিয়ে দিলাম। একদম তলা পর্যন্ত ঢুকে গেল। রুমানা আপু চিৎকার করে উঠলেন, “আঃ! পুরোটা ঢোকা, আমার ভোদা ফাটিয়ে দে! জোরে চোদ, সিয়াম!” আমি তার কোমর ধরে জোরে জোরে ঠেলা দিতে লাগলাম। তার পাছার মাংস দুলছে, ভোদা থেকে ফোঁস ফোঁস শব্দ বেরোচ্ছে। আমি তার চুল ধরে টেনে তার গালে চড় মারছি, “নাংটা শুয়োরের মতো চোদাচ্ছি তোকে, বল, তোর ভোদা কার?” তিনি বললেন, “তোর, সিয়ামের! আরো জোরে মার!”
আমরা পজিশন বদলালাম। তিনি আমার উপর চেপে বসলেন। তার ভোদা আমার ধোনের উপর বসিয়ে উপর নিচ করতে লাগলেন। তার স্তন দুটো আমার মুখের সামনে ঝুলছে, আমি চুষছি। তার ভোদার রস আমার পেটে ঝরে পড়ছে। আমি তার পাছায় আঙুল ঢুকিয়ে দিলাম। তিনি আরো উত্তেজিত হয়ে গেলেন। “আমার পায়ুপথেও চোদ, পরে!”
আমরা দুই ঘণ্টা ধরে চোদাচুদি করলাম। শেষে আমি তার মুখে মাল ফেললাম। তিনি সব চেটে খেলেন। তারপর আমরা গোসল করে আবার শুরু করলাম। এভাবে রাতভর চলল। সকালে যখন বের হলাম, তিনি বললেন, “সিয়াম, সাইটটা ঠিক করে দিও, আর প্রতি সপ্তাহে আসবে।”
এরপর থেকে প্রায়ই যাই। ওয়ার্ডপ্রেসের কাজ শেষ হয়েছে, কিন্তু রুমানা আপুর ভোদা আর আমার ধোনের কাজ শেষ হয়নি। এখনও যখনই সময় পাই, গুলশানে যাই, তার নাংটা শরীর নিয়ে খেলি। তার বড় স্তন, ভেজা ভোদা, আর তার চিৎকার আমার মাথায় ঘুরে বেড়ায়।
(গল্প এখানে শেষ, কিন্তু আমাদের চোদাচুদি এখনও চলছে।)