হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান। ঢাকার উত্তরায় থাকি, বয়স ২৮। আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে জব করি। কয়েক মাস আগে আমার শরীর খারাপ হয়ে গেল, জ্বর, মাথা ঘোরা, আর একটা অদ্ভুত সমস্যা—লিঙ্গে প্রায়ই শক্ত হয়ে যাচ্ছিল কিন্তু ঠিকমতো টেকাতে পারছিলাম না। লজ্জায় কাউকে বলতে পারছিলাম না। শেষে এক বন্ধু বলল, “যা না ডাক্তার দেখা।” সে আমাকে দিয়েছে একজন ডাক্তারের নাম—ডা. রুমানা আহমেদ। মিরপুরে তার চেম্বার। বলল, “একদম কনফিডেনশিয়াল, আর মেয়ে ডাক্তার হলেও ভালো ট্রিটমেন্ট দেয়।”
প্রথম দিন চেম্বারে গেলাম। ডা. রুমানা দেখতে একদম ৩৫-এর কাছাকাছি, ফর্সা, মোটা মোটা ঠোঁট, বড় বড় স্তন আর পাছা। ল্যাব কোটের নিচে টাইট শার্ট পরা, যাতে তার স্তনের আউটলাইন স্পষ্ট দেখা যায়। আমি ভিতরে ঢুকতেই সে হাসল, “বসুন সিয়াম। কী সমস্যা?” আমি লজ্জায় গলা নামিয়ে বললাম, “ডাক্তার, আমার…

লিঙ্গের সমস্যা। শক্ত হয় কিন্তু টেকে না।” সে চুপচাপ শুনল, তারপর বলল, “ঠিক আছে, পরীক্ষা করতে হবে। প্যান্ট খুলুন।”
আমি প্যান্ট খুলে ফেললাম। আমার লিঙ্গ আধা শক্ত হয়ে ছিল। সে গ্লাভস পরে হাত দিয়ে ধরল, চেপে দেখল, আস্তে আস্তে মালিশ করতে লাগল। “আরাম লাগছে?” আমি শুধু মাথা নেড়ে বললাম, “হ্যাঁ ডাক্তার।” তার আঙুলগুলো আমার লিঙ্গের মাথায় ঘষছিল, প্রি-কাম বের হচ্ছিল। সে বলল, “এটা স্বাভাবিক, টেনশনের জন্য হয়।” কিন্তু তার চোখে একটা আগুন দেখলাম। সে আরও জোরে চেপে ধরল, “তোমার লিঙ্গটা বেশ মোটা, ভালো লাগছে হাতে।”
সেইদিনই চেকআপ শেষে সে বলল, “আজ রাতে আমার বাসায় আসবে? প্রাইভেট ট্রিটমেন্ট দিব।” আমি রাজি হয়ে গেলাম। রাত ৯টায় তার গুলশানের ফ্ল্যাটে গেলাম। দরজা খুলেই সে আমাকে টেনে ভিতরে নিয়ে গেল। ল্যাব কোট খুলে ফেলেছে, শুধু একটা পাতলা নাইটি পরা। তার বড় বড় স্তন দুটো নাইটির ভিতর থেকে ঝুলে পড়ছে, নিপল দুটো শক্ত হয়ে ফুটে আছে। “আজ তোকে পুরোপুরি সারিয়ে দিব,” সে বলল আর আমার ঠোঁটে চুমু খেল।
আমি তার স্তন চেপে ধরলাম, নাইটি তুলে ফেললাম। তার স্তন দুটো একদম ভারী, গোলাপি নিপল। আমি চুষতে লাগলাম, জিভ দিয়ে ঘোরাতে লাগলাম। সে চিৎকার করে বলল, “আরে হ্যাঁ, চুষ আমার বড় বড় দুধ দুটো! চুষে দুধ বের করে ফেল!” আমি আরও জোরে চুষছি, তার একটা স্তন মুখে নিয়ে চাপড়াচ্ছি। সে আমার লিঙ্গ বের করে এনে মুখে নিল। “উফফ, কত বড় লিঙ্গ! গন্ধও সুন্দর।” সে চুষতে লাগল, জিভ দিয়ে লিঙ্গের নিচে ঘষছে, গলার ভিতর পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছে। লালা ঝরছে, তার মুখ ভিজে যাচ্ছে। আমি তার মাথা চেপে ধরে মুখে চোদা শুরু করলাম। “খাও ডাক্তার, আমার মোটা বাড়া গলায় নাও!”
তারপর সে বিছানায় শুয়ে পা দুটো ফাঁক করে দিল। তার যোনি একদম গোলাপি, চুল কামানো, ঝরঝরে রস বের হচ্ছে। “চাট আমার ভোদা, সিয়াম! জিভ দিয়ে চাট!” আমি তার ভোদায় মুখ ডুবিয়ে দিলাম। জিভ দিয়ে চাটছি, চুষছি, তার ক্লিট টিপে ধরে চুষছি। সে চিৎকার করছে, “আহহহ, আরও ভিতরে জিভ ঢোকাও! আমার ভোদার রস খেয়ে ফেল!” তার রস আমার মুখে ছড়াচ্ছে, আমি চাটে চাটে খাচ্ছি। তার পা কাঁপছে, সে অর্গাজম হয়ে গেল, “আমি যাচ্ছি! তোর মুখে মাল ফেলছি!”
এরপর সে আমাকে শুয়ে দিয়ে তার ভোদা আমার লিঙ্গের উপর বসিয়ে দিল। “এবার তোর বড় লিঙ্গ আমার ভোদায় ঢোকাও!” আমি জোরে ঠেলে দিলাম। তার ভোদা টাইট, গরম, রসে ভেজা। আমি চোদা শুরু করলাম, “ফোট ফোট শব্দ হচ্ছে ডাক্তার, তোর ভোদা আমার বাড়া চুষে নিচ্ছে!” সে উপর থেকে লাফাচ্ছে, তার স্তন দুলছে, “হ্যাঁ, আরও জোরে চোদ! আমার ভোদা ফাটিয়ে দে! তোর মোটা লিঙ্গ দিয়ে আমাকে মার!” আমি তার পাছা চেপে ধরে আরও জোরে ঠেলছি। তার ভোদা থেকে রস বের হয়ে আমার পেট ভিজিয়ে দিচ্ছে।
আমরা পজিশন বদলালাম। সে কুকুরের মতো হয়ে দাঁড়াল, পাছা তুলে দিল। আমি পেছন থেকে ঢুকিয়ে দিলাম। “আহহ, পেছন থেকে চোদ, আমার পাছায় আঘাত কর!” আমি তার চুল ধরে টানছি, পাছায় চাপড় মারছি, লাল হয়ে যাচ্ছে। “তোর এই মোটা পাছা, আর ভোদা—সব আমার!” সে চিৎকার করছে, “মার আরও মার! আমি তোর চোদার কুত্তি!” আমি তার ভোদায় আঙুল ঢুকিয়ে দুটো জায়গায় মারছি।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলল। সে আমাকে বিভিন্ন পজিশনে চোদাল—মিশনারি, কাউগার্ল, স্ট্যান্ডিং। তার ভোদা থেকে বারবার রস বের হচ্ছে, বিছানা ভিজে গেছে। শেষে আমি বললাম, “আমি মাল ফেলব!” সে মুখ খুলে বসল, “আমার মুখে দে, আমার মুখ ভরিয়ে দে!” আমি তার মুখে ঢেলে দিলাম, সে সব গিলে নিল, তারপর লিঙ্গ চেটে পরিষ্কার করল।
রাত শেষে সে বলল, “এই ট্রিটমেন্ট চালিয়ে যাবি, প্রতি সপ্তাহে আসবি।” আমি রাজি হয়ে গেলাম। তারপর থেকে প্রায়ই তার চেম্বারে বা বাসায় যাই, আর সে আমাকে তার শরীর দিয়ে পুরোপুরি সুস্থ করে দেয়। এখন আমার লিঙ্গ একদম ঠিক আছে, কারণ ডা. রুমানার ভোদা আর মুখ আমাকে সারিয়ে দিয়েছে।
(গল্প শেষ, কিন্তু আমাদের এই নোংরা সম্পর্ক চলতেই থাকবে।)