
হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান। ঢাকার উত্তরায় থাকি, একটা মাঝারি অ্যাপার্টমেন্টে। বয়স ২৮, চাকরি করি একটা আইটি কোম্পানিতে। আমার জীবনে অনেক মেয়ের সাথে ঘটনা হয়েছে, কিন্তু যেটা সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে, সেটা হলো আমার পাশের ফ্ল্যাটের আর্চির সাথে। আর্চি নামটা শুনলেই আমার লাঠি শক্ত হয়ে যায়। সে একটা ২৫ বছরের ফুল ফ্রেশ বউ, তার স্বামী প্রায়ই বিদেশে থাকে। গায়ের রং ফর্সা, বুক দুটো বিশাল, গোলাপি নিপল আর ভোজনক্ষেত্রটা টাইট আর রসালো। আজকে তোমাদের সেই গল্পটা বিস্তারিত বলব, কীভাবে আমি তাকে চুদেছি, তার চোদা খাওয়ার শব্দ, তার চিৎকার, তার গুদের রস আর আমার বীর্যের স্বাদ।
সেদিন বৃষ্টি হচ্ছিল প্রচণ্ড। আমি বাসায় একা, টিভিতে কিছু একটা দেখছিলাম। দরজায় নক হলো। খুলে দেখি আর্চি, ভিজে চুল, স্বচ্ছ নাইটি পরা। তার বুকের দুটো মোটা স্তন নাইটির ভেতর থেকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল, নিপল দুটো শক্ত হয়ে উঠেছে বৃষ্টির জন্য। সে বলল, “সিয়াম ভাই, বিদ্যুৎ নেই আমার ফ্ল্যাটে, একটু বসতে পারি? স্বামী তো বিদেশে।” আমি হেসে বললাম, “আসো আর্চি, ভেজে গেছো তো।” সে ভিতরে ঢুকতেই তার শরীরের গন্ধ আমার নাকে লাগল, মিষ্টি পারফিউম মেশানো ঘামের গন্ধ।
আমি তাকে তোয়ালে দিলাম। সে শরীর মুছতে গিয়ে নাইটির একটা স্ট্র্যাপ খুলে ফেলল। তার একটা স্তন আধা বের হয়ে এলো, গোলাপি আরোলা নিপলটা আমার চোখে পড়ল। আমার লিঙ্গটা প্যান্টের ভেতর শক্ত হয়ে উঠল। আর্চি লক্ষ্য করল, হাসল। বলল, “সিয়াম, তোমার চোখ দুটো যেন আমার বুকে আটকে আছে। কী, আমার স্তন দুটো দেখে লোভ হচ্ছে?” আমি সরাসরি বললাম, “হ্যাঁ আর্চি, তোর মোটা মোটা স্তন চুষতে ইচ্ছে করছে। তোর চোদা খাওয়া গুদটা চাটতে ইচ্ছে করছে।” সে লাল হয়ে গেল, কিন্তু পিছিয়ে গেল না। বরং বলল, “তাহলে চুষে দেখ না, ভয় পাস কেন?”
আমি তার কাছে গিয়ে তার নাইটি টেনে খুলে ফেললাম। তার পুরো শরীর খালি। বুক দুটো ঝুলে আছে, বড় বড়, কালো চুলের নিচে তার পেটটা মসৃণ। তার পায়ের ফাঁকে গুদটা টাক করা, ঠোঁট দুটো মোটা আর গোলাপি, ভেতর থেকে রস ঝরছে। আমি হাঁটু গেড়ে বসে তার গুদে মুখ লাগিয়ে চাটতে শুরু করলাম। তার ক্লিটরিসটা চুষে চুষে খেলাম, জিভ ঢুকিয়ে তার ভেতরটা চাটলাম। আর্চি চিৎকার করে উঠল, “আহহ সিয়াম, তোর জিভ দিয়ে আরো গভীরে ঢোকা, আমার গুদটা চাট, রস বের করে খা!” তার রস আমার মুখে লাগছিল, টক টক স্বাদ। আমি তার দুই পা ছড়িয়ে আরো জোরে চাটতে লাগলাম, তার গুদের ঠোঁট দুটো চুষে টানছি।
আর্চি আমার মাথা চেপে ধরে বলল, “এবার তোর লাঠিটা বের কর, আমার মুখে দে।” আমি প্যান্ট খুলে আমার ৮ ইঞ্চি মোটা লিঙ্গ বের করলাম। সে হাঁটু গেড়ে বসে আমার বীর্যমুখ চুষতে শুরু করল। তার জিভ আমার মাথায় ঘুরছিল, গলা পর্যন্ত নিয়ে চুষছিল। “উম্মম, তোর বড় লাঠিটা মুখে নিয়ে চোদার স্বাদ নিচ্ছি,” সে বলল। আমি তার মাথা চেপে ধরে তার মুখে চোদা দিতে লাগলাম, তার গলায় আমার লাঠি ঢুকছিল। তার লালা আর আমার প্রাক-বীর্য মিশে তার ঠোঁট ভিজে যাচ্ছিল।
তারপর আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে তার পা দুটো কাঁধে তুলে নিলাম। আমার লাঠিটা তার গুদের মুখে ঘষে ঘষে ভেতরে ঢোকালাম। আর্চি চিৎকার করে উঠল, “আহহহ ফাটিয়ে দে, তোর মোটা লাঠি দিয়ে আমার গুদ ফাটিয়ে দে! জোরে চোদ!” আমি জোরে জোরে থাপ্পড় মারতে লাগলাম, তার গুদের রস আমার লাঠি বেয়ে নামছিল। তার স্তন দুটো দুলছিল, আমি সেগুলো চেপে ধরে চুষছিলাম। তার নিপল কামড়ে ধরে টানছিলাম। আর্চি বলছিল, “আরো জোরে, আমার বুক চুষ, গুদ মার!” আমি তার গুদে আঙুল ঢুকিয়ে আর লাঠি দিয়ে চোদছিলাম, তার রস আমার হাত ভিজিয়ে দিচ্ছিল।
আমরা পজিশন বদলালাম। আর্চি উপরে উঠে আমার লাঠিতে চেপে বসল। তার গুদ আমার লাঠি পুরোপুরি গিলে নিল। সে উপর নিচ দুলতে লাগল, তার বড় বড় স্তন আমার মুখের সামনে ঝুলছিল। আমি চুষছিলাম, সে বলছিল, “তোর লাঠি আমার গুদে কত ভালো লাগছে, রস বের হয়ে যাচ্ছে!” তার গুদের ভেতরটা গরম আর টাইট ছিল, আমার লাঠি চেপে ধরছিল। আমি তার কোমর ধরে উপর থেকে থাপ্পড় মারছিলাম, তার গুদ মারছিলাম।
আমরা ডগি স্টাইলে গেলাম। আর্চি কুকুরের মতো হাঁটু গেড়ে বসল, তার পাছা তুলে দিল। আমি তার পেছন থেকে লাঠি ঢুকিয়ে চোদতে লাগলাম। তার পাছার মাংস দুলছিল, আমি তার পাছায় চড় মারছিলাম। “আহহ, আমার পাছা মার, গুদ চোদ!” সে চিৎকার করছিল। তার গুদ থেকে রস ঝরছিল মেঝেতে। আমি তার চুল ধরে টেনে চোদছিলাম, তার গলা শুকিয়ে আসছিল চিৎকারে।
আমি তার মুখে আবার লাঠি দিলাম, তার গুদের রস লেগে থাকা লাঠি চুষতে বললাম। আর্চি লোভ করে চুষল, “তোর বীর্য খেতে ইচ্ছে করছে।” আমি তার মুখে জোরে চোদতে চোদতে বীর্য ছেড়ে দিলাম। তার মুখ ভরে গেল সাদা গরম বীর্যে, কিছু নাক দিয়ে বের হয়ে এলো। সে সব চেটে খেল। তারপর আমি তার গুদ আবার চাটলাম, তার ক্লাইম্যাক্স হলো, তার গুদ থেকে রসের ফোয়ারা বের হলো।
রাতভর আমরা চোদাচুদি করলাম। বিভিন্ন পজিশনে, তার স্তন চুষে, গুদ মেরে, পাছায় আঙুল ঢুকিয়ে। আর্চি বলল, “তুমি আমার স্বামীর থেকে অনেক ভালো চোদো।” সকালে সে চলে গেল, কিন্তু পরের দিন আবার এলো। এইভাবে আমাদের গোপন সম্পর্ক চলতে লাগল, প্রতি রাতে তার গুদ আমার লাঠিতে ভরে যেত, তার চিৎকার শুনে আমার আনন্দ হতো।
(গল্প এখানে শেষ, কিন্তু আমাদের চোদাচুদি চলতেই থাকবে।)