রোহান আর প্রিয়া দিল্লির সাউথ এক্সটেনশনের একটা ছোট ফ্ল্যাটে থাকত। বৃষ্টির রাতে ছাদে উঠে তারা সিগারেট ধরাল। প্রিয়া জিন্স খুলে ফেলল, তার প্যান্টির ভেতর আঙুল ঢুকিয়ে বলল, “রোহান, আজ রাতে আমার গুদটা ফাটিয়ে দে।” রোহান তার বুক চেপে ধরে চুমু খেল, তারপর সোজা প্রিয়ার মুখে লাগাম দিল। প্রিয়া হাঁটু গেড়ে বসে রোহানের ল্যাংটা বাড়াটা মুখে নিল, জিভ দিয়ে চাটতে চাটতে গলার গভীরে ঢুকিয়ে দিল।
“চুস চোদনার মতো,” রোহান বলল, প্রিয়ার চুল ধরে তার মুখে ধাক্কা দিতে দিতে। প্রিয়ার লালা গড়িয়ে পড়ছিল, তার চোখে জল। রোহান তাকে উল্টে ফেলে তার পাছায় চড় মারল, তারপর দুই আঙুল ঢুকিয়ে গুদ চোদতে লাগল। প্রিয়া চিৎকার করে বলল, “হ্যাঁ, আরও জোরে, আমার ফাঁসা গুদটা ফাটাও!”
বৃষ্টি পড়ছিল ছাদে। রোহান তার ল্যাংটা বাড়াটা প্রিয়ার ভেজা গুদে ঢুকিয়ে দিল এক ঝটকায়। প্রিয়া চিৎকার করে উঠল, “উফফ, পুরোটা নিলাম!” রোহান জোরে জোরে থাপ্পড় মারতে মারতে চোদতে লাগল, তার বলদ দুটো প্রিয়ার পাছায় লাগছিল। প্রিয়া তার নিজের স্তন চেপে ধরে বলল, “আমার দুধ দুটো চুষে নে, শালা!” রোহান তার একটা স্তন মুখে নিয়ে কামড়ে কামড়ে চুষতে চুষতে আরও জোরে চোদল।
তারা মেঝেতে শুয়ে পড়ল। প্রিয়া রোহানের উপর চেপে বসে তার ল্যাংটা বাড়াটা নিজের গুদে ঢুকিয়ে নাচতে লাগল। রোহান তার পাছা দুটো চেপে ধরে বলল, “তোর চোদার গতি দেখে মনে হচ্ছে তুই শুধু এটাই চাস।” প্রিয়া হাসল, “হ্যাঁ রে, তোর বাড়া ছাড়া আর কিছু লাগে না।” তারা দুজনে মিলে গুদ-মারা শব্দ তুলতে তুলতে চোদাচুদি করল।
রোহান প্রিয়াকে উপুড় করে শুইয়ে তার পাছার ফুটোতে আঙুল ঢুকিয়ে দিল। প্রিয়া বলল, “আজ গুদ মার, প্লিজ!” রোহান তার লালা দিয়ে ভিজিয়ে প্রিয়ার পায়ুপথে বাড়াটা ঢুকিয়ে দিল ধীরে ধীরে। প্রিয়া চিৎকার করে বলল, “আরও গভীরে, আমার পাছা ফাটিয়ে দে!” রোহান জোরে জোরে থাপ্পড় মারতে মারতে পায়ু চোদতে লাগল।
অবশেষে তারা দুজনে একসাথে শেষ করল। প্রিয়া রোহানের বুকে শুয়ে বলল, “আবার কাল রাতে?” রোহান তার ঠোঁটে চুমু খেয়ে বলল, “নিশ্চিত।” বৃষ্টি থামছিল, দিল্লির আকাশে আলো ফুটছিল।