
হাই বন্ধুরা, আমি রোহান। আমি ঢাকার মিরপুরে থাকি, বয়স ২৮। আমার বড় ভাইয়ের বিয়ে হয়েছে তিন বছর আগে। তার স্ত্রী, আমার বাবি রুমানা, ২৫ বছরের একদম মাল। তার শরীরটা দেখলে যে কেউ পাগল হয়ে যায়। বড় বড় দুধ, গোলাপি রঙের বোঁটা, পেটটা একটু মোটা, কিন্তু নিচের দিকে যখন তাকাই তখন মনে হয় যেন পুরো জগতটা ওখানেই। তার পাছাটা বিশাল, দুই গাল মোটা মোটা, আর তার মাঝখানে সেই গোলাপি-বাদামি রঙের পুটকি। আমি প্রায়ই তার পুটকি চাটার স্বপ্ন দেখতাম, কিন্তু সেটা সত্যি হয়ে গেল এক বৃষ্টির রাতে।
সেদিন বাড়িতে শুধু আমি আর রুমানা ছিলাম। ভাই অফিসের কাজে চট্টগ্রাম গেছে। বৃষ্টি পড়ছে ঝমঝম করে। রুমানা রান্নাঘরে ছিল, শাড়ি পরে, শাড়ির আঁচলটা তার একটা দুধের উপর পড়ে আছে, আর নিচ থেকে তার নাভি দেখা যাচ্ছে। আমি তার পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। “বাবি, একটু জল দাও তো।” সে জল দিতে গিয়ে তার শাড়ি সরে গেল, আর তার সেই বিশাল পাছা আমার চোখের সামনে। আমি আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। “বাবি, তোমার পাছাটা দেখে আমার শালা বারা শক্ত হয়ে গেছে।” সে চমকে উঠল, কিন্তু চোখে একটা আগুন জ্বলছিল। “রোহান, এসব কথা বলিস না। ভাইয়া জানলে মারামারি হবে।” আমি তার কোমরে হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরলাম। “ভাইয়া নেই, আজ রাতটা শুধু আমাদের। তোমার পুটকি চাটতে চাই, গু মেখে চাটতে চাই।”
রুমানা প্রথমে রাগ করল, কিন্তু তারপর তার শরীর কাঁপতে লাগল। সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “তুই পাগল? গু জুক্ত পুটকি চাটবি? আমি আজ সকালে পায়খানা করেছি, এখনো একটু আটকে আছে।” আমি তার শাড়ি তুলে তার পাছায় হাত বুলিয়ে দিলাম। “হ্যাঁ বাবি, তোমার গরম গু মেখে তোমার পুটকি চাটবো, তারপর তোমার ভেজা ভোদায় আমার বারা ঢুকিয়ে চোদবো।” সে দরজা বন্ধ করে আমাকে টেনে নিয়ে গেল শোবার ঘরে। আমরা দুজনে বিছানায় পড়ে গেলাম। রুমানা তার শাড়ি খুলে ফেলল, শুধু পেটিকোট আর ব্লাউজ পরে। তার দুধ দুটো ব্লাউজের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে। আমি ব্লাউজ খুলে তার একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম, আর হাত দিয়ে তার পাছার গাল দুটো চেপে ধরলাম।
“রোহান, আরো জোরে চোস, আমার বোঁটাগুলো শক্ত হয়ে গেছে।” আমি তার দুধ চুষতে চুষতে তার পেটিকোট নামিয়ে দিলাম। এখন সে পুরোপুরি ন্যাংটো। তার ভোদাটা টকটকে লাল, চুল কামানো, আর তার পুটকির ছিদ্রটা গোলাপি, কিন্তু চারপাশে একটু গু লেগে আছে। আমি তাকে উল্টো করে শুইয়ে দিলাম, তার পাছা আমার মুখের সামনে। “বাবি, তোমার পুটকি এখন আমার।” আমি তার পাছার গাল দুটো ছড়িয়ে তার পুটকিতে জিভ দিয়ে চাটতে শুরু করলাম। প্রথমে হালকা, তারপর জোরে জোরে। তার গুয়ের গন্ধটা মিশ্রিত হয়ে আসছে, গরম, মাটির মতো, কিন্তু আমার কাছে সেটা সবচেয়ে মজার জিনিস। “উফফ, রোহান, তোর জিভটা আমার পুটকির ভেতর ঢোকাচ্ছিস? গু মেখে চাট, আরো ভালো লাগবে।”
আমি তার কথা শুনে আরো উত্তেজিত হয়ে গেলাম। তার পুটকির ছিদ্রে জিভ ঢুকিয়ে চাটতে লাগলাম, তার গুয়ের টুকরো জিভে লেগে যাচ্ছে, আমি সেটা চুষে নিচ্ছি। রুমানা চিৎকার করে উঠল, “হ্যাঁ, আরো গভীরে জিভ ঢোকা, আমার গু খেয়ে ফেল, শালা পুটকি চাটা বারা!” তার ভোদা থেকে রস বেরিয়ে পড়ছে, আমি এক হাতে তার ভোদায় আঙুল ঢুকিয়ে নেড়ে চেড়ে দিচ্ছি, আর মুখ দিয়ে তার পুটকি চাটছি। গুয়ের স্বাদটা তেতো-মিষ্টি, কিন্তু তার গরম পুটকির ভেতরের মাংসটা নরম, জিভ দিয়ে চাপ দিলে সেটা কাঁপছে। রুমানা তার পাছা পিছনে ঠেলে দিচ্ছে, “আরো চাট, তোর মুখটা পুরো পুটকির ভেতর ঢুকিয়ে দে।”
আমি তার পুটকি চাটতে চাটতে তার ভোদায় দুই আঙুল ঢুকিয়ে জোরে জোরে আঙুল চালাচ্ছি। রুমানা কাঁপছে, “রোহান, আমি আসতে যাচ্ছি, আমার গু বেরিয়ে আসবে, তুই চেটে নে!” তার পুটকি থেকে আরো একটু গু বেরিয়ে এলো, আমি সেটা জিভ দিয়ে চেটে নিলাম। তারপর আমি উঠে দাঁড়ালাম, আমার বারা বের করে তার পুটকিতে ঘষতে লাগলাম। “বাবি, এবার তোর পুটকিতে বারা ঢুকাবো?” সে বলল, “না, প্রথমে ভোদায় ঢোকা, তারপর পুটকি।” আমি তার ভোদায় আমার মোটা বারা ঢুকিয়ে একটা জোরে ধাক্কা দিলাম। তার ভোদা টাইট, গরম, রসে ভরা। আমি জোরে জোরে চোদতে লাগলাম, তার দুধ দুটো দুলছে। “বাবি, তোর ভোদাটা কত টাইট, আমার বারা পুরো ঢুকে গেছে।”
রুমানা চিৎকার করছে, “হ্যাঁ, আরো জোরে চোদ, আমার ভোদা ফাটিয়ে দে।” আমি তার পায়ের মাঝখানে বসে তার ভোদা চুদছি, আর এক হাত দিয়ে তার পুটকি চাটছি। তার গুয়ের গন্ধটা সারা ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে। আমি তার পুটকিতে আঙুল ঢুকিয়ে নেড়ে দিচ্ছি, গু লেগে আঙুলটা চটচটে হয়ে গেছে। রুমানা বলল, “এবার পুটকিতে ঢোকা, আমার গু মেখে তোর বারা চুষবো।” আমি তার ভোদা থেকে বারা বের করে তার পুটকিতে ঢুকাতে লাগলাম। তার পুটকি টাইট, কিন্তু গুয়ের জন্য স্লিপারি। আমার বারার মাথা তার পুটকির ভেতর ঢুকে গেল। রুমানা চিৎকার করে উঠল, “আহহ, তোর মোটা বারা আমার পুটকি ফাটিয়ে দিচ্ছে, গু মেখে চোদ!”
আমি তার পুটকি চুদতে লাগলাম, জোরে জোরে ধাক্কা দিচ্ছি। তার পাছার গাল দুটো আমার কোমরে লাগছে, গুয়ের শব্দ হচ্ছে। রুমানা তার মুখ ঘুরিয়ে আমার বারা চুষতে চাইল। আমি বারা বের করে তার মুখে দিলাম। সে আমার বারা চুষতে লাগল, তার গুয়ের স্বাদ তার মুখে। “বাবি, তোর মুখে গু লেগে আছে, আরো চুষ।” আমি তার মাথা ধরে তার মুখে বারা ঢুকিয়ে চোদতে লাগলাম। তারপর আবার তার পুটকিতে ঢুকিয়ে চোদলাম। আমি তার ভোদা আর পুটকি দুটোই চুদছি পালা করে। রুমানা দুইবার ঝরে গেল, তার রস বেরিয়ে আমার বারায় লেগে গেছে।
অনেকক্ষণ চোদার পর আমি বললাম, “বাবি, আমি আসতে যাচ্ছি, তোর পুটকিতে গু মেখে ঝরাবো।” সে বলল, “হ্যাঁ, আমার পুটকিতে ঝরা, তারপর আবার চাটবো।” আমি তার পুটকিতে শেষবার জোরে ধাক্কা দিয়ে ঝরে গেলাম। আমার গরম বীর্য তার পুটকির ভেতর ঢুকে গেল, গুয়ের সাথে মিশে গেল। আমি বারা বের করে তার পুটকি আবার চাটতে লাগলাম, আমার বীর্য আর তার গু মিশিয়ে চুষে নিলাম। রুমানা আমার মুখ চেপে ধরে বলল, “আজ রাতটা শেষ নয়, সারারাত এরকম চলবে।”
আমরা সারারাত ধরে একে অপরের শরীর চাটলাম, চুদলাম, গু মেখে খেলাম। সকালে যখন ভাই ফিরল, আমরা দুজনে ন্যাংটো শুয়ে ছিলাম, তার পুটকি থেকে এখনো আমার বীর্য আর গু ঝরে পড়ছিল। এই ছিল আমার প্রথম গু জুক্ত পুটকি চাটার অভিজ্ঞতা। এখন প্রায়ই রুমানার সাথে এরকম হয়। বন্ধুরা, তোমরাও চেষ্টা করে দেখো, এর থেকে বেশি আর কিছু হয় না।