
হাই বন্ধুরা, আমি রাহুল। ঢাকার উত্তরায় থাকি, একটা ছোট অ্যাপার্টমেন্টে। বয়স ২৭, চাকরি করি একটা আইটি কোম্পানিতে। আমার পাশের ফ্ল্যাটে থাকে বাবলি ভাবি। তার বয়স ৩২, স্বামী বিদেশে থাকে। শরীরটা যেন আগুন। বড় বড় দুধ, মোটা পাছা, কোমরটা সাপের মতো। আমি প্রায়ই তাকে দেখে মনে মনে চুদতে চুদতে মারতাম। একদিন সন্ধ্যায় বৃষ্টি হচ্ছিল। আমি বাসায় একা। দরজায় নক শুনে খুললাম, বাবলি ভাবি দাঁড়িয়ে। ভেজা শাড়ি গায়ে লেপটে আছে, দুধের নিপল দুটো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। সে বলল, “রাহুল, লাইট নেই আমার ফ্ল্যাটে। একটু দেখে দিবি?”
আমি তাকে ভিতরে ডাকলাম। বৃষ্টির শব্দে ঘর ভরে গেছে। আমি তার কাছে গিয়ে বললাম, “ভাবি, তোমার শাড়ি পুরো ভিজে গেছে। খুলে ফেলো না?” সে হাসল, চোখে কামের আগুন। “তুই কি আমারে চুদবি রাহুল? আমার বউড়া তো ছয় মাস ধরে নেই। আমার ভোদা পুড়ে যাচ্ছে।” কথাটা শুনে আমার ধোনটা লাফিয়ে উঠল। আমি তার শাড়ির আঁচল টেনে খুলে দিলাম। দুধ দুটো বেরিয়ে পড়ল, কালো নিপলগুলো শক্ত হয়ে আছে। আমি একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করলাম। ভাবি চিৎকার করে উঠল, “আরে চুষ, আরো জোরে চুষ! আমার দুধের রস বের করে ফেল!”
আমি তার অন্য দুধটা হাতে নিয়ে মাথামাথি করতে লাগলাম। তারপর হাঁটু গেড়ে বসে তার শাড়ি তুলে প্যান্টি নামিয়ে দিলাম। ভোদাটা পুরো টাক, লোম নেই, ঠোঁট দুটো মোটা আর গোলাপি। ভিতর থেকে রস ঝরছে। আমি আঙুল দিয়ে ভোদার ঠোঁট ছড়িয়ে জিভ দিয়ে চাটতে শুরু করলাম। ভাবি পাগলের মতো চিৎকার করছে, “খাও আমার ভোদা! জিভ ঢুকিয়ে চোদ! আমার ক্লিট চুষে ফেল!” আমি তার ক্লিটটা দাঁত দিয়ে হালকা কামড়ে চুষছি, জিভ ঢুকিয়ে ভিতরের রস চাটছি। তার পা দুটো কাঁপছে। সে আমার চুল ধরে মাথা চেপে ধরেছে। “আরো গভীরে, রাহুল! আমি মরে যাচ্ছি!”
কিছুক্ষণ পর আমি উঠে দাঁড়ালাম। আমার প্যান্ট খুলে ফেললাম। ধোনটা খাড়া হয়ে আছে, মাথায় প্রি-কামের রস চিকচিক করছে। ভাবি হাঁটু গেড়ে বসে ধোনটা মুখে নিল। “উফ, কত বড় তোর বাড়া! চোদার লাঠি!” সে জিভ দিয়ে মাথা চাটতে লাগল, তারপর পুরোটা গলার ভিতরে ঢুকিয়ে চুষতে শুরু করল। থুতু ঝরছে, গলা দিয়ে আওয়াজ হচ্ছে “গ্লক গ্লক”। আমি তার মাথা ধরে জোরে জোরে চোদাচ্ছি মুখে। “খা, ভাবি! আমার বীর্য খেয়ে ফেল!” সে চোখ তুলে তাকিয়ে আছে, চোখে জল।
তারপর আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। পা দুটো চওড়া করে ফাঁক করে দিয়ে ধোনটা তার ভোদায় ঢুকিয়ে দিলাম। এক ঠেলায় পুরোটা ঢুকে গেল। ভাবি চিৎকার করে উঠল, “আহহহ! পুরো বাড়া ঢুকে গেছে! আমার ভোদা ফেটে যাচ্ছে!” আমি জোরে জোরে চোদা শুরু করলাম। প্রতি ঠেলায় “চপ চপ” শব্দ হচ্ছে, রস ছিটকে বেরোচ্ছে। তার দুধ দুটো লাফাচ্ছে। আমি একটা দুধ চেপে ধরে চুষছি, আরেক হাতে তার পাছার মাংস চেপে ধরে আছি। “ভাবি, তোর ভোদা কত টাইট! আমার ধোন চেপে ধরছে!” সে বলছে, “চোদ আমারে! গর্ভে বীর্য ঢেলে দে! আমি তোর বাচ্চা নেব!”
আমি তার পা কাঁধে তুলে আরো গভীরে চোদছি। ভোদার ভিতর থেকে গরম রস বেরোচ্ছে, আমার পেট ভিজে যাচ্ছে। ভাবি অর্গাজম হয়ে যাচ্ছে, শরীর কাঁপছে, ভোদা চেপে ধরছে আমার ধোন। “আমি মরে গেলাম! আরো চোদ!” আমি গতি বাড়িয়ে দিলাম। তারপর তাকে ঘুরিয়ে কুকুরের মতো করে চোদা শুরু করলাম। পাছা দুটো চেপে ধরে জোরে ঠেলা দিচ্ছি। তার পায়ুপথটা দেখা যাচ্ছে, ছোট গোলাপি। আমি আঙুল দিয়ে সেটা চেপে ধরলাম। ভাবি বলল, “পায়েও চোদ না! আমার গুদ মার!” আমি থুতু লাগিয়ে আঙুল ঢুকিয়ে দিলাম গুদে, আর ধোন চালাচ্ছি ভোদায়। দুই জায়গায় একসাথে মারছি।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা চোদা চলল। আমি তাকে বিভিন্ন পজিশনে চুদলাম। স্ট্যান্ডিং চোদা, ওয়ালে ঠেস দিয়ে, তারপর মিশনারি। প্রতিবার সে অর্গাজম নিচ্ছে, ভোদা থেকে রসের ফোয়ারা বেরোচ্ছে। শেষে আমি তার মুখে বীর্য ফেললাম। সে সবটা চেটে খেয়ে নিল। “স্বাদটা কত মিষ্টি!”
রাত শেষে সে বলল, “আবার আসবি রাহুল। আমার ভোদা তোর জন্যই।” আমি হাসলাম। এরপর থেকে প্রায়ই আমরা চুদি। উত্তরার সেই বৃষ্টির রাতটা আমার জীবনের সবচেয়ে গরম রাত।
(গল্পটা এখানে শেষ, কিন্তু আমাদের চোদাচুদি চলতেই থাকবে।)