হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান। বয়স ২৮, ঢাকার উত্তরায় থাকি। ২০১৬ সালের কথা বলছি, যখন আমি মিরপুর থেকে উত্তরায় নতুন ফ্ল্যাটে উঠেছিলাম। সেদিন বৃষ্টি হচ্ছিল প্রচণ্ড, রাস্তায় জল জমে গিয়েছিল। আমি অফিস থেকে ফিরছি, ভিজে যাওয়া শার্ট গায়ে লেগে আছে, আর নিচের দিকটা একটু শক্ত হয়ে উঠেছে কারণ সকাল থেকে একটা ছেলের ছবি দেখে মনটা খারাপ ছিল।
ফ্ল্যাটে ঢুকেই দেখি আমার নতুন রুমমেট রাহুল এসে গেছে। সে কলকাতা থেকে এসেছে জবের জন্য। লম্বা চেহারা, চওড়া বুক, গায়ের রং ফর্সা, আর চোখ দুটো যেন আমাকে খেয়ে ফেলবে। রাহুল হাসল, “আরে সিয়াম ভাই, এসো এসো। বৃষ্টিতে ভিজে গেছো? চলো গোসল করে নাও।” আমি গোসল করতে গেলাম, কিন্তু মনে মনে ভাবছি এই ছেলেটা কেমন। গোসলের সময় আমার লিঙ্গটা শক্ত হয়ে উঠল, হাত দিয়ে একটু মালিশ করলাম, কিন্তু থামিয়ে দিলাম।
বেরিয়ে এসে দেখি রাহুল শুধু টাওয়েল জড়িয়ে বসে আছে। তার বুকের লোমগুলো ভিজে চকচক করছে, নিপল দুটো শক্ত হয়ে আছে। আমি চোখ সরাতে পারলাম না। সে বলল, “সিয়াম, তুমি গে?” সরাসরি প্রশ্ন। আমি থমকে গেলাম। তারপর মাথা নেড়ে বললাম, “হ্যাঁ… তুমি?” রাহুল হেসে উঠল, “আমিও। আজ রাতে কি করবি বলো?”
আমি তার কাছে গিয়ে বসলাম। তার ঠোঁটে চুমু খেলাম। জিভ দিয়ে তার মুখের ভিতর ঢুকিয়ে দিলাম। রাহুলও জবাব দিল, তার হাত আমার শার্টের ভিতর ঢুকে গেল, আমার বুকের নিপল চেপে ধরল। “আহ… সিয়াম, তোমার শরীরটা কত নরম!” সে বলল। আমি তার টাওয়েল খুলে দিলাম। তার লিঙ্গটা বেরিয়ে পড়ল, লম্বা, মোটা, মাথায় প্রি-কামের ঝলক। আমি হাত দিয়ে ধরলাম, আস্তে আস্তে মালিশ করতে লাগলাম। “রাহুল, তোমার বড়া কত শক্ত, চোদার জন্য তৈরি।”
সে আমার প্যান্ট খুলে দিল। আমার লিঙ্গটা লাফিয়ে বেরিয়ে এলো। রাহুল নিচু হয়ে মুখে নিয়ে নিল। তার জিভ দিয়ে মাথাটা চাটতে লাগল, তারপর পুরোটা গলার ভিতর ঢুকিয়ে চুষতে শুরু করল। “উফফ… রাহুল, চোদো আমার মুখটা, তোমার বড়া দিয়ে গলা ফাটিয়ে দাও।” আমি তার মাথা চেপে ধরলাম, তার মুখে চোদাতে লাগলাম। লালা ঝরে পড়ছিল, তার চোখ দিয়ে জল আসছিল কিন্তু সে থামছিল না।
প্রায় দশ মিনিট চুষার পর রাহুল উঠে দাঁড়াল। “এবার তুমি আমার পাছা চাটো।” সে চার পায়ে বসল, পাছা তুলে দিল। আমি তার গোলাপি ছিদ্রটা দেখে লোভে পাগল হয়ে গেলাম। জিভ দিয়ে চাটতে লাগলাম, তারপর আঙুল ঢুকিয়ে নাচাতে লাগলাম। “রাহুল, তোমার পাছাটা কত টাইট, আমার আঙুলটা চেপে ধরছে।” সে কাঁপছিল, “সিয়াম, আরও গভীরে ঢোকাও, আমার পাছা চোদার জন্য মরছে।”
আমি তার পাছায় থুতু দিয়ে ভিজিয়ে দিলাম, তারপর আমার লিঙ্গটা ঢুকিয়ে দিলাম। একটু একটু করে পুরোটা ঢুকে গেল। রাহুল চিৎকার করে উঠল, “আহহহ…

সিয়াম, তোমার বড়া আমার পাছা ফাটিয়ে দিচ্ছে! আরও জোরে চোদো!” আমি জোরে জোরে থাপ্পড় মারতে লাগলাম, তার পাছার মাংস কাঁপছিল। প্রত্যেক থাপ্পড়ে তার ছিদ্রটা আমার লিঙ্গকে চেপে ধরছিল। আমি তার চুল ধরে টেনে চোদাতে লাগলাম, “নাও, তোমার পাছার ভিতর আমার বীর্য ভরে দিব!”
প্রায় বিশ মিনিট চোদার পর আমি বের করে আবার মুখে দিলাম। রাহুল আমার লিঙ্গ চুষতে লাগল, আর আমি তার মুখে মাল ফেললাম। গরম গরম বীর্য তার গলায় ঢুকছিল, সে গিলে ফেলল। তারপর সে আমাকে শুতে বলল। রাহুল আমার পাছায় আঙুল ঢুকিয়ে প্রস্তুত করল, তারপর তার মোটা লিঙ্গটা ঢুকিয়ে দিল। “সিয়াম, তোমার পাছাটা কত গরম! আমি তোমার ভিতরে সব ঢেলে দিব।”
আমি কাঁপছিলাম আনন্দে। তার প্রত্যেক থ্রাস্টে আমার লিঙ্গটা আবার শক্ত হয়ে উঠছিল। রাহুল আমার বুক চেপে ধরে জোরে চোদাচ্ছিল। “চোদো রাহুল, আমার পাছা তোমার, পুরোটা ভরে দাও!” আমরা পজিশন চেঞ্জ করলাম। আমি উপরে উঠে তার উপর বসে চোদাতে লাগলাম। তার লিঙ্গটা আমার ভিতরে ঢুকছে বেরোচ্ছে, আর আমার লিঙ্গটা তার পেটে লাগছিল।
দুই ঘণ্টা ধরে আমরা চোদাচুদি করলাম। রাহুল দুইবার মাল ফেলল, একবার আমার পাছায়, একবার মুখে। আমি তিনবার মাল ফেললাম। শেষে আমরা জড়াজড়ি করে শুয়ে রইলাম, তার লিঙ্গটা এখনো আমার পাছায় আধা শক্ত অবস্থায়। বৃষ্টি থামেনি, জানালা দিয়ে বাতাস আসছিল। রাহুল বলল, “এটা শুধু শুরু, প্রতি রাতে এরকম করব।”
আমি হাসলাম, তার ঠোঁটে চুমু খেয়ে বললাম, “হ্যাঁ, উত্তরার এই ফ্ল্যাটে আমাদের গোপন সমকামী চুদাচুদি চলবে।” সেই রাত থেকে আমাদের শরীর এক হয়ে গেল। প্রতিদিন নতুন নতুন পজিশনে আমরা একে অপরকে চোদাতাম, চাটতাম, মাল খাওয়াতাম। ২০১৬ সালের সেই সময়টা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে উত্তপ্ত, নোংরা আর আনন্দের।
(গল্পের শেষ, কিন্তু আমাদের চোদাচুদি চলতেই থাকবে।)