
হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান। আমি ঢাকার উত্তরায় থাকি, একটা মাঝারি সাইজের অ্যাপার্টমেন্টে। আমার বয়স ২২, ইউনিভার্সিটি পড়ি। আমার মা রুমানা, বয়স ৪২। বাবা বিদেশে থাকেন জবের জন্য, বছরে একবার আসেন। মা একা একা সব সামলান। মা দেখতে অসম্ভব সেক্সি—মোটা মোটা স্তন, চওড়া নিতম্ব, কোমরে একটু মাংস, আর পায়ের মাঝখানে যে জায়গাটা, সেটা কল্পনা করলেই আমার লাঠি শক্ত হয়ে যায়। মা সাধারণত ঘরে শাড়ি পরেন, আর শাড়ির নিচে ব্লাউজটা এমন টাইট যে স্তন দুটো যেন বেরিয়ে আসতে চায়। প্রতিদিন সকালে মা গোসল করে বের হলে, তার শরীরের গন্ধ, ভেজা চুল, আর ঘামের গন্ধ আমাকে পাগল করে দেয়।
একদিন বিকেলে বৃষ্টি হচ্ছিল। আমি ঘরে একা ছিলাম, মা বাজার থেকে ফিরছিলেন। দরজা খুলে মা ভিজে ভিজে ঢুকলেন। শাড়ি শরীরে লেপটে আছে, স্তনের কালো ব্রা দেখা যাচ্ছে, নাভির নিচে পেটের মাংস ঝুলে আছে। মা বললেন, “সিয়াম, তোর জন্য চা বানাবো?” আমি বললাম, “মা, তুমি ভিজে গেছো, আগে শুকিয়ে নাও।” মা হাসলেন, শাড়ি খুলে ফেললেন। শুধু পেটিকোট আর ব্লাউজ পরে দাঁড়িয়ে আছেন। তার স্তন দুটো ভারী, ব্লাউজের বোতাম খুলে গেছে, কালো ব্রার ভেতরে স্তনের চোটা দেখা যাচ্ছে। আমার লিঙ্গ ট্রাউজারের ভেতরে লাফাচ্ছে। মা দেখে ফেললেন, বললেন, “কী রে, এত কঠিন হয়ে গেল কেন?” আমি লজ্জা পেয়ে বললাম, “মা, তুমি এত সেক্সি যে পারছি না।” মা কাছে এসে আমার লাঠি চেপে ধরলেন, “তোর এই বড় বড় লাঠি মায়ের জন্যই তৈরি হয়েছে।”
মা আমাকে ঘরে নিয়ে গেলেন। বিছানায় শুয়ে পড়লাম। মা ব্লাউজ খুলে ফেললেন, ব্রা খুলে দুটো মোটা স্তন বের করে আমার মুখে চাপিয়ে দিলেন। “চুষ, মায়ের দুধ খা,” মা বললেন। আমি স্তনের বোঁটা চুষতে লাগলাম, জিভ দিয়ে চাটছি, মা চিৎকার করছেন, “আরো জোরে চুষ, আমার বোকা ছেলে!” স্তন থেকে লালা গড়িয়ে পড়ছে, আমি একটা স্তন চুষছি, আরেকটা হাতে মাখছি। মা আমার প্যান্ট খুলে লিঙ্গ বের করে নিলেন। “ওহ, কত বড়, কালো, শিরা শিরা ভর্তি, মাথায় প্রচুর চামড়া,” মা বললেন। মা লিঙ্গ মুখে নিয়ে চুষতে লাগলেন, জিভ দিয়ে মাথা চাটছেন, লালা গড়িয়ে আমার বলদুটো ভিজে যাচ্ছে। “মা, আরো গভীরে নাও,” আমি বললাম। মা গলা পর্যন্ত নিয়ে চুষছেন, গলার শব্দ হচ্ছে “গ্লক গ্লক”।
মা উঠে পেটিকোট খুলে ফেললেন। নাভির নিচে ঘন কালো চুলের জঙ্গল, ভেতরে গুদটা গোলাপি, রস বের হচ্ছে। মা আমার মুখে বসে গেলেন, “চাট মায়ের গুদ, ছেলে!” আমি জিভ দিয়ে চাটছি, ভেতরে ঢুকিয়ে চাটছি, মা চিৎকার করছেন, “আরো জোরে, আমার ভেতরটা চাট!” রস মুখে চলে আসছে, আমি গিলছি। মা কাঁপছেন, অর্গাজম হয়ে গেলেন, গুদ থেকে রস বের হয়ে আমার মুখ ভিজিয়ে দিল। তারপর মা আমার লিঙ্গ নিয়ে নিজের গুদে বসে গেলেন। “আহ, কত মোটা, ভেতরটা ফেটে যাচ্ছে,” মা চিৎকার করলেন। মা উপর নিচ করছেন, স্তন দুলছে, আমি স্তন চেপে ধরে চুষছি। “মা, তোমার গুদটা কত টাইট,” আমি বললাম। মা বললেন, “তোর বাবার ছোট লাঠি দিয়ে কখনো এমন হয়নি।”
আমরা পজিশন বদলালাম। মা চার হাত পায়ে দাঁড়িয়ে, পিছন থেকে চোদা। আমি লিঙ্গ ঢুকিয়ে জোরে জোরে চোদছি, থাপ্পড় মারছি নিতম্বে। “থাপ্পড় মার, মায়ের পাছায়,” মা বললেন। নিতম্ব লাল হয়ে যাচ্ছে, গুদ থেকে রস ঝরছে। আমি চুল ধরে টানছি, “মা, তোমাকে চিরকাল চোদব।” মা বললেন, “হ্যাঁ, মায়ের গুদ তোরই।” তারপর মা শুয়ে পড়লেন, পা দুটো কাঁধে তুলে দিলেন। আমি গভীরে ঢুকিয়ে চোদছি, স্তন চেপে ধরে মাখছি। মা চিৎকার করছেন, “আরো জোরে, আমার পেটের ভেতরে মার!” আমি বীর্যপাত করলাম, মায়ের গুদ ভরিয়ে দিলাম। রস বের হয়ে গুদ থেকে ঝরছে।
এরপর রাতভর আমরা চোদাচুদি করলাম। মা আমাকে বিভিন্ন পজিশনে নিলেন—ডগি স্টাইলে, মিশনারি, কাউগার্ল। প্রতিবার মা অর্গাজম হয়ে চিৎকার করছেন, “ছেলে, মায়ের গুদ ফাটিয়ে দে!” সকালে মা চা বানিয়ে দিলেন, বললেন, “আজ থেকে রাতে তোর ঘরেই ঘুমাব।” আমি মায়ের স্তন চুষতে চুষতে বললাম, “মা, তুমি আমার সেক্সি মম।” এভাবেই আমাদের গোপন সম্পর্ক শুরু হয়ে গেল উত্তরার অ্যাপার্টমেন্টে।