
হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান, বয়স ২২। আমি ঢাকার উত্তরায় থাকি, একটা মাঝারি অ্যাপার্টমেন্টে। আমার বাবা বিদেশে থাকেন, তাই বাড়িতে শুধু আমি, আমার মা রুমানা আর তার ছোট বোন, আমার কাকি সাবিনা। মা ৪২, কাকি ৩৮। দুজনেই দেখতে একদম ফাটাফাটি, মোটা স্তন, চওড়া পাছা, মোলায়েম চামড়া। আমি সবসময় তাদের শরীর দেখে লোভ করতাম, কিন্তু কখনো সাহস পাইনি।
একদিন বৃষ্টির রাতে সব বদলে গেল। বাবা ফোন করে জানালেন যে তিনি আরও একমাস দেরি করবেন। সেই রাতে মা আর কাকি দুজনে মিলে রান্না করছিলেন। আমি ঘরে বসে পর্ন দেখছিলাম, কিন্তু মন অন্য জায়গায়। হঠাৎ মা ডাকলেন, “সিয়াম, একটু এসো তো।” আমি গেলাম রান্নাঘরে। মা পরেছেন পাতলা নাইটি, বুকের ফাঁকে স্তনের কালো বোঁটা দেখা যাচ্ছে। কাকি পরেছেন শর্টস আর টপ, তার মোটা পাছা শর্টসের মধ্যে চেপে আছে।
মা হাসতে হাসতে বললেন, “আজ রাতে তুই আমাদের সাথে ঘুমাবি। বৃষ্টিতে ভয় লাগছে।” আমি রাজি হয়ে গেলাম। রাতে বিছানায় তিনজন একসাথে। মা একপাশে, কাকি অন্যপাশে। আমি মাঝখানে। অন্ধকারে মায়ের হাত আমার উরুতে পড়ল। ধীরে ধীরে সেটা আমার লিঙ্গের কাছে চলে এল। আমার শক্ত হয়ে যাওয়া বাড়া মায়ের হাতে চেপে ধরা পড়ল। মা ফিসফিস করে বললেন, “বাবা, তোর এত বড় হয়েছে? মা তো জানতই না।”
আমি চুপ করে রইলাম। তারপর কাকি উল্টো দিক থেকে আমার বুকে হাত বুলাতে বুলাতে বলল, “ভাইপো, তোর মা আর আমি দুজনেই তোর জন্য অপেক্ষা করছি। আজ রাতে আমাদের দুজনকে চুদে দে।” আমি উত্তেজনায় কাঁপছিলাম। মা আমার প্যান্ট খুলে ফেললেন। আমার মোটা, লম্বা বাড়া বেরিয়ে পড়ল। মা বললেন, “কি রে, এত শক্ত? মায়ের গুদে দিবি?”
মা নিজের নাইটি তুলে ফেললেন। তার বিশাল স্তন দুটো ঝুলে পড়ল, কালো বোঁটায় শক্ত হয়ে আছে। তার গুদে ঝাঁকড়া চুল, ঠোঁট দুটো মোটা আর ভেজা। আমি মায়ের স্তনে মুখ লাগিয়ে চুষতে শুরু করলাম। মা চিৎকার করে উঠলেন, “আহহহ, সিয়াম, মায়ের বুক চুষ, আরো জোরে!” আমি একটা স্তন চুষছি, আরেকটা হাত দিয়ে মাথামাখি করছি। কাকি পাশ থেকে আমার বাড়া হাতে নিয়ে মালিশ করতে লাগল। তার আঙ্গুলে আমার বীর্যের প্রি-কাম লেগে আছে।
তারপর মা আমার মুখ থেকে স্তন সরিয়ে নিজের গুদ আমার মুখে চাপিয়ে দিলেন। “চাট, মায়ের ভেজা গুদ চাট!” আমি জিভ দিয়ে মায়ের গুদের ঠোঁট চাটতে লাগলাম। মায়ের গুদ থেকে রস বেরোচ্ছে, সেটা আমার মুখে লাগছে। মা চেঁচাচ্ছেন, “আরো ভিতরে জিভ ঢোকা, মায়ের ক্লিট চুষ!” আমি মায়ের ক্লিট চুষছি, আঙ্গুল দিয়ে গুদে ঢোকাচ্ছি। মা কাঁপতে কাঁপতে অর্গাজম করে ফেললেন, তার গুদ থেকে রস বেরিয়ে আমার মুখ ভিজিয়ে দিল।
এবার কাকির পালা। কাকি শর্টস খুলে ফেলল। তার গুদ আরো গোলাপি, চুল কম। কাকি আমার উপর উঠে বসল, তার গুদে আমার বাড়া ঢোকাতে লাগল। “ভাইপোর বাড়া কাকির গুদে ঢোকাও, জোরে!” আমার বাড়া কাকির টাইট গুদে ঢুকে গেল। কাকি উপর নিচ নাচতে লাগল, তার মোটা পাছা আমার উরুতে থাপ্পড় মারছে। আমি কাকির স্তন দুটো চেপে ধরে চুষছি। কাকি চিৎকার করছে, “আহহ, ভাইপো চোদ, কাকির গুদ ফাটিয়ে দে!”
মা পাশে বসে আমাদের দেখছেন আর নিজের গুদে আঙ্গুল ঢোকাচ্ছেন। “সিয়াম, মাকে ও চোদার পর আমাকে চোদ!” কাকি অর্গাজম করে ফেলল, তার গুদ থেকে রস আমার বাড়ায় লেগে গেল। তারপর আমি মাকে ডগি স্টাইলে চোদা শুরু করলাম। মায়ের পাছা চেপে ধরে বাড়া গুদে ঢুকিয়ে জোরে জোরে থাপ্পড় মারছি। মা চেঁচাচ্ছেন, “হ্যাঁ বাবা, মায়ের গুদ চোদ, মায়ের ভিতরে মাল ফেল!”
আমি মায়ের চুল ধরে টানছি, বাড়া গুদে গভীরে ঢুকাচ্ছি। কাকি নিচে বসে আমার বলদ চাটছে। মা আবার অর্গাজম করলেন, তার গুদ চেপে ধরল আমার বাড়া। শেষে আমি মায়ের গুদে মাল ফেললাম, গরম বীর্য মায়ের ভিতরে ঢুকে গেল। তারপর কাকির মুখে বাড়া দিয়ে বাকি মাল খাওয়ালাম।
রাতভর এভাবে চলল। মা আর কাকি দুজনে মিলে আমার বাড়া চুষল, একে অপরের গুদ চাটল, আমাকে দুজনের গুদে চোদাল। ভোরের দিকে আমরা তিনজন ঘামে ভিজে, রসে ভিজে একসাথে ঘুমিয়ে পড়লাম। পরের দিন থেকে এটা নিয়মিত হয়ে গেল। উত্তরার সেই অ্যাপার্টমেন্টে মা আর কাকির সাথে প্রতি রাতে এই নোংরা চুদাচুদি চলছে।
(গল্পটি এখানে শেষ, কিন্তু আমাদের এই নিষিদ্ধ সম্পর্ক এখনো চলছে।)