হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম। ঢাকার উত্তরায় আমাদের ছোট ফ্ল্যাটে থাকি। বয়স ২৮। আমার ছোট বোন রুমানার বয়স ২২। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। আমাদের বাবা-মা প্রায়ই গ্রামে থাকেন, তাই আমি আর রুমানা অনেক সময় একা থাকি। রুমানা দেখতে অনেক সুন্দরী, গোলাপি ঠোঁট, বড় বড় স্তন, সরু কোমর আর মোটা পাছা নিয়ে হাঁটে। তার শরীর দেখলে আমার লিঙ্গ শক্ত হয়ে যায়।
একদিন বৃষ্টির রাতে আমরা দুজনে ফ্ল্যাটে একা ছিলাম। রুমানা শুধু একটা পাতলা নাইটি পরে ঘরে ঘুরছিল। নাইটির নিচে তার কোনো ব্রা বা প্যান্টি ছিল না। তার স্তনের বোঁটা নাইটির ভেতর দিয়ে ফুটে উঠছিল। আমি সোফায় বসে টিভি দেখছিলাম, কিন্তু চোখ রুমানার শরীরে। সে জানালার কাছে দাঁড়িয়ে বৃষ্টি দেখছিল, আর তার পাছা দুলছিল। আমার লিঙ্গ প্যান্টের ভেতর শক্ত হয়ে ফুলে উঠল।
“ভাই, একটু জোরে বৃষ্টি পড়ছে, ভয় লাগছে,” রুমানা বলল আর আমার কাছে এসে বসল। তার শরীরের গরম আমার গায়ে লাগছিল। আমি তার কাঁধে হাত রাখলাম। “ভয় পাস না, আমি আছি,” বলে আমি তার স্তনের দিকে তাকালাম। সে লক্ষ্য করল, হাসল। “ভাই, তুমি আমার শরীর দেখছ কেন? তোমার চোখ লাল হয়ে গেছে।”
আমি আর থাকতে পারলাম না। “রুমানা, তোর এই বড় বড় দুধ আর মোটা পাছা দেখে আমার বারা শক্ত হয়ে গেছে। তোকে চুদতে ইচ্ছে করছে।” সে চুপ করে রইল, তারপর বলল, “ভাই, আমিও তোকে চাই। অনেকদিন ধরে তোর মোটা লিঙ্গের স্বপ্ন দেখি।”
আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম। তার নরম ঠোঁটে চুমু খেলাম। জিভ দিয়ে তার মুখের ভেতর ঢুকিয়ে চাটলাম। রুমানা আওয়াজ করল, “আহহ, ভাই…

চুমু খাও আরও জোরে।” আমি তার নাইটি খুলে ফেললাম। তার দুধ দুটো বেরিয়ে পড়ল, গোলাপি বোঁটা শক্ত। আমি একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম, আরেকটা হাতে চেপে ধরে মাখামাখি করলাম। দুধ থেকে হালকা ঘাম বেরোচ্ছিল, আমি চেটে নিলাম। রুমানা চিৎকার করল, “ভাই, তোর জিভ দিয়ে আরও চাট, আমার দুধ ফুলে উঠছে!”
আমি তার পেটে চুমু খেতে খেতে নিচে নামলাম। তার পায়ের ফাঁকে মুখ ঢুকিয়ে তার ভোদা চাটতে শুরু করলাম। ভোদাটা গোলাপি, চুল কামানো, ঝরঝরে রস বেরোচ্ছে। আমি জিভ দিয়ে তার ক্লিটরিস ঘষতে লাগলাম, আঙুল দিয়ে ভিতরে ঢুকিয়ে আঙুল চালালাম। রুমানা কাঁপতে লাগল, “ভাই, আরও গভীরে আঙুল ঢোকাও, আমার ভোদা পুড়ছে! তোর জিভ দিয়ে চোদ, আমি মরে যাচ্ছি!” তার ভোদার রস আমার মুখে লাগছিল, আমি চেটে নিলাম।
তারপর আমি আমার প্যান্ট খুলে ফেললাম। আমার লিঙ্গটা ৮ ইঞ্চি লম্বা, মোটা, শিরা দিয়ে ভরা, মাথায় প্রি-কাম বেরোচ্ছে। রুমানা দেখে বলল, “ভাই, তোর বারাটা এত বড়! আমার ভোদায় কীভাবে ঢুকবে?” আমি তার পায়ের ফাঁকে গিয়ে লিঙ্গটা তার ভোদার ঠোঁটে ঘষতে লাগলাম। “ঢুকবে, তোর ভোদা ভিজে আছে।” তারপর এক ধাক্কায় পুরোটা ঢুকিয়ে দিলাম। রুমানা চিৎকার করল, “আহহহ! ভাই, ফাটিয়ে দিলি! তোর মোটা বারা আমার ভোদা চিরে ফেলছে!”
আমি থাপ্পড় মারতে মারতে চুদতে লাগলাম। তার ভোদার রস বেরিয়ে আমার লিঙ্গ ভিজিয়ে দিচ্ছে। প্রতি থাপ্পড়ে “পাচ পাচ” শব্দ হচ্ছিল। রুমানা বলছিল, “ভাই, আরও জোরে চোদ, আমার দুধ চেপে ধর, আমি তোর শালা হয়ে যাব!” আমি তার দুধ দুটো চেপে ধরে চুষতে চুষতে চুদছিলাম। তার ভোদা টাইট, আমার লিঙ্গ চেপে ধরছিল।
আমরা পজিশন বদলালাম। রুমানা উপরে উঠে আমার লিঙ্গে বসল। তার পাছা দুলিয়ে চুদতে লাগল। “ভাই, তোর বারা আমার গর্ভে ঢুকছে!” আমি তার পাছায় চড় মারছিলাম, লাল হয়ে যাচ্ছিল। তারপর ডগি স্টাইলে করলাম। তার পাছা চেপে ধরে পেছন থেকে ঢুকিয়ে চুদলাম। তার ভোদা থেকে রস ঝরছিল, আমার বলদে লাগছিল।
আমি তার মুখে লিঙ্গ ঢুকিয়ে চুষতে বললাম। রুমানা আমার লিঙ্গ চুষতে লাগল, জিভ দিয়ে মাথা চাটছিল। “ভাই, তোর বারার স্বাদ খুব ভালো, আমি গিলে ফেলব।” আমি তার মুখে ঠেলে দিলাম, গলা পর্যন্ত ঢুকিয়ে চোদলাম। সে কাশছিল, কিন্তু চুষছিল।
ফের ভোদায় ঢুকিয়ে চুদতে চুদতে আমি বীর্যপাত করলাম। গরম গরম বীর্য তার ভোদার ভিতরে ঢেলে দিলাম। রুমানা কাঁপতে কাঁপতে অর্গাজম করল, “ভাই, তোর বীর্যে আমার ভোদা ভরে গেল!” তারপর আমি তার ভোদা চেটে বীর্য বের করে আবার চুদলাম। রাতভর আমরা চুদলাম, বিভিন্ন পজিশনে। তার ভোদা, পাছা, মুখ সব জায়গায় আমার লিঙ্গ ঢুকালাম। সে বলছিল, “ভাই, আরও চোদ, আমি তোর বোন হয়েও তোর রান্ডি হয়ে গেছি।”
সকালে আমরা ক্লান্ত হয়ে ঘুমালাম, কিন্তু পরের দিন আবার শুরু করলাম। এভাবেই আমাদের গোপন সম্পর্ক চলছে। রুমানার ভোদা এখন আমার জন্যই।