
হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান। আমার বয়স ২৮, ঢাকার উত্তরায় একটা ছোট ফ্ল্যাটে থাকি। অফিসের কাজ শেষ করে বাসায় ফিরি, আর প্রায়ই আমার পাশের ফ্ল্যাটের বাবলি বhabi-র কথা ভাবি। তার নাম রুমানা, বয়স ৩৫, কিন্তু শরীরটা এমন যেন ২৫-এর মেয়ে। বড় বড় দুধ, মোটা পাছা, কোমরটা সরু আর নিচে গুদটা কেমন যেন সবসময় ভেজা থাকে। তার স্বামী প্রায়ই বাইরে থাকে, তাই আমি প্রায়ই তার সাথে চ্যাট করি। একদিন সন্ধ্যায় বৃষ্টি পড়ছিল, আমি তার দরজায় নক করলাম। সে খুলে দিল, শুধু একটা পাতলা নাইটি পরে। নাইটির ভেতর দিয়ে তার কালো বড় বড় স্তন দুটো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল, নিপলগুলো শক্ত হয়ে উঠেছে।
“সিয়াম ভাই, এত রাতে?” সে হাসল। আমি বললাম, “বৃষ্টিতে বিদ্যুৎ চলে গেছে, একটু কথা বলতে এলাম।” সে আমাকে ভেতরে ডাকল। ফ্ল্যাটটা অন্ধকার, শুধু মোমবাতির আলো। আমরা সোফায় বসলাম। তার গায়ের গন্ধটা মাথা ঘুরিয়ে দিল। কথা বলতে বলতে আমার হাত তার উরুতে পড়ল। সে কিছু বলল না, শুধু চোখ বন্ধ করে শ্বাস নিল। আমি হাতটা আরও উপরে নিয়ে গেলাম, তার গুদের কাছে। নাইটির নিচে কোনো প্যান্টি ছিল না। তার গুদটা পুরোপুরি টাক, ভেজা আর গরম। আঙুল দিয়ে চেপে ধরতেই সে “আহহ” করে উঠল।
“সিয়াম, তোমার হাতটা কেমন লাগছে জানো? আমার স্বামী তো ছয় মাস ধরে চোদে না। আমার গুদটা ফেটে যাচ্ছে।” আমি তার নাইটি খুলে ফেললাম। তার দুধ দুটো ঝুলে পড়ল, বড় আর ভারী, নিপলগুলো গাঢ় বাদামি। আমি একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম, জিভ দিয়ে নিপল চাটছি, আর আরেক হাত দিয়ে তার গুদে আঙুল ঢুকিয়ে দিলাম। তার গুদের ভেতরটা গরম আর টাইট, রস বের হচ্ছে। “আরও গভীরে আঙুল দাও, আমার ক্লিটটা চাপো,” সে বলল। আমি দুই আঙুল ঢুকিয়ে ফিংগারিং করতে লাগলাম, তার গুদ থেকে চটচটে রস বের হয়ে আমার হাত ভিজিয়ে দিচ্ছে।
সে আমার প্যান্ট খুলে দিল। আমার ল্যাড়া বের হয়ে এল, ৭ ইঞ্চি লম্বা, মোটা শিরা দিয়ে ভরা। সে হাঁটু গেড়ে বসে আমার ল্যাড়া মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। “উম্ম, তোমার বাড়া কত শক্ত, গন্ধটা আমার গুদ ভিজিয়ে দিচ্ছে।” সে জিভ দিয়ে মাথা চাটছে, গলা পর্যন্ত গলায় নিচ্ছে, থুতু দিয়ে ভিজিয়ে চুষছে। আমি তার চুল ধরে মাথা চাপছি, “চুষ বhabi, তোর মুখের ভেতরটা গরম লাগছে।” সে আরও জোরে চুষছে, তার লাল ঠোঁট দিয়ে আমার ল্যাড়া ঘষছে।
আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। তার পা দুটো ছড়িয়ে দিয়ে গুদের ওপর মুখ নামিয়ে দিলাম। গুদটা গোলাপি, টাক, রস ঝরছে। আমি জিভ দিয়ে চাটতে লাগলাম, ক্লিট চুষছি, আর জিভ ঢুকিয়ে ভেতরটা চাটছি। সে চিৎকার করে উঠল, “আহহ সিয়াম, তোর জিভ দিয়ে আমার গুদ চাট, আমি মরে যাচ্ছি।” তার গুদের রস আমার মুখে লাগছে, আমি চাটতে চাটতে তার ক্লিট কামড়াচ্ছি। সে কাঁপছে, “আরও জোরে চাট, আমি আসছি।” তার গুদ থেকে রস বের হয়ে আমার মুখ ভিজিয়ে দিল।
এবার আমি তার ওপর উঠে আমার ল্যাড়া তার গুদে ঢুকিয়ে দিলাম। গুদটা খুব টাইট, ঢোকাতে কষ্ট হচ্ছে। “ধীরে ধীরে ঢোকাও, তোর বাড়া অনেক মোটা,” সে বলল। আমি আস্তে আস্তে ঢুকিয়ে পুরোটা ভেতরে নিয়ে নিলাম। তার গুদের ভেতরটা গরম আর সরু, আমার ল্যাড়া পুরোপুরি ঢুকে গেছে। আমি জোরে জোরে চোদা শুরু করলাম। “থাপ থাপ” শব্দ হচ্ছে, তার দুধ দুটো দুলছে। সে চিৎকার করছে, “আরও জোরে চোদ, আমার গুদ ফাটিয়ে দাও। তোর বাড়া আমার ভেতরে লাগছে।” আমি তার কোমর ধরে জোরে থাপড় মারছি, ল্যাড়া পুরোটা ঢুকিয়ে বের করছি। তার গুদ থেকে রস বের হয়ে আমার ল্যাড়া ভিজিয়ে দিচ্ছে।
আমরা পজিশন বদলালাম। সে উপরে উঠে বসল, আমার ল্যাড়ার ওপর চেপে বসে নিচে উপরে নামতে লাগল। তার পাছা দুলছে, দুধ দুটো আমার মুখের সামনে। আমি দুধ চুষতে চুষতে তার পাছায় থাপড় মারছি। “আহহ, তোর বাড়া আমার গুদে ঠিক লাগছে, আমি আবার আসছি,” সে বলল। তার গুদটা আমার ল্যাড়া চেপে ধরছে, রস ঝরছে। আমি তার পাছা দুটো হাতে নিয়ে সাহায্য করছি, জোরে উপরে নামাচ্ছি।
তারপর ডগি স্টাইলে করলাম। সে হাঁটু গেড়ে বসে, পাছা তুলে দিয়েছে। আমি পিছন থেকে ল্যাড়া ঢুকিয়ে চোদতে লাগলাম। তার পাছার গর্তটা দেখা যাচ্ছে, আমি আঙুল দিয়ে চাপছি। “তোর পাছায় আঙুল দিব?” সে বলল, “হ্যাঁ, দাও।” আমি একটা আঙুল তার পায়ুপথে ঢুকিয়ে দিলাম, আর ল্যাড়া দিয়ে গুদ চোদছি। সে পাগলের মতো চিৎকার করছে। “দুটো গর্ত একসাথে নিচ্ছি, আমি শালী হয়ে গেছি।” আমি জোরে থাপড় মারছি, তার পাছা লাল হয়ে যাচ্ছে।
আমি শেষ করার আগে সে আবার মুখে নিয়ে চুষল। “আমার মুখে ঢেলে দাও,” সে বলল। আমি তার মুখে ল্যাড়া ঢুকিয়ে জোরে চোদতে লাগলাম, তারপর গরম বীর্য তার গলায় ঢেলে দিলাম। সে সব গিলে নিল, “উম্ম, তোমার বীর্যটা মিষ্টি।” আমরা ক্লান্ত হয়ে শুয়ে পড়লাম। কিন্তু রাত এখনো শেষ হয়নি, সে আবার আমার ল্যাড়া হাতে নিয়ে ঘষতে লাগল। “আরেকবার চোদ, আমার গুদটা এখনো ভেজা।”
এভাবে সারারাত চলল। সকালে সে বলল, “তুমি আমার নিয়মিত চোদার সাথী হয়ে যাও।” আমি রাজি হয়ে গেলাম। এই ছিল আমার প্রথম Bangla choti golpo অভিজ্ঞতা উত্তরার বৃষ্টির রাতে।