
হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান। ঢাকার উত্তরায় আমার ছোট ফ্ল্যাটে থাকি। বয়স ২৮, বিয়ে হয়েছে দুই বছর আগে রুমানার সাথে। রুমানা ভালো মেয়ে, কিন্তু তার বোন রিয়া—ওই যে আমার শালী—সেটা আলাদা জিনিস। রিয়া ২৩ বছরের, গোলাপী ঠোঁট, ৩৬ সাইজের মোটা দুধ, কোমরে মাংস, আর পাছা এমন যে দেখলেই হাত বাড়িয়ে চেপে ধরতে ইচ্ছে করে। গত মাসে রুমানা মায়ের বাড়ি গেছে বরিশালে, আর রিয়া এসেছে ঢাকায় জবের ইন্টারভিউ দিতে। আমার ফ্ল্যাটেই উঠেছে। প্রথম রাতেই সব বদলে গেল।
রাত ১১টা। আমি টিভিতে একটা বাংলা চ্যানেল দেখছি। রিয়া বাথরুম থেকে বেরিয়ে এলো শুধু একটা পাতলা নাইটি পরে। নাইটির নিচে কোনো ব্রা নেই, দুধের বোঁটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। সে সোফায় এসে আমার পাশে বসলো। “ভাইয়া, একটু ঠান্ডা লাগছে।” তার গলা নরম, কিন্তু চোখে আগুন। আমি হাত বাড়িয়ে তার কাঁধে রাখলাম। “আসো কাছে।” সে আরো কাছে সরে এলো। তার দুধ আমার বাহুতে চেপে বসলো। নরম, গরম, আর ভারী। আমার বারা ট্রাউজারের ভেতর লাফিয়ে উঠলো।
রিয়া হাসলো। “ভাইয়া, তোমারটা শক্ত হয়ে গেছে?” সে সরাসরি জিজ্ঞাসা করলো। আমি আর লজ্জা পেলাম না। “হ্যাঁ শালী, তোর দুধ দেখে শক্ত হয়েছে।” সে হাত বাড়িয়ে আমার লিঙ্গ চেপে ধরলো ট্রাউজারের উপর দিয়ে। “কত বড়! রুমানা কি এত বড় নিতে পারে?” আমি তার দুধে হাত দিয়ে চেপে ধরলাম। “তোর দুধ আরো বড়, চোদার জন্য তৈরি।” সে জোরে শ্বাস নিলো। “তাহলে চোদো না ভাইয়া, আজ রাতে আমাকে পুরোপুরি তোমার বানিয়ে নাও।”
আমি তাকে সোফা থেকে তুলে নিয়ে বিছানায় নিয়ে গেলাম। নাইটি খুলে ফেললাম। তার দুধ বেরিয়ে পড়লো, গোলাপী বোঁটা শক্ত হয়ে আছে। আমি একটা বোঁটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করলাম। রিয়া চিৎকার করে উঠলো, “আহহহ ভাইয়া, চুষো জোরে, দুধ খেয়ে ফেলো!” আমি এক হাতে তার পাছা চেপে ধরলাম, আঙুল দিয়ে তার কুসুমের ফুটোয় ঘষতে লাগলাম। ভেজা ভেজা, রস বেরোচ্ছে। “শালী তোর ভোদা কত ভিজে গেছে!” সে আমার প্যান্ট খুলে বারাটা বের করে এনে মুখে নিলো। “উম্মম, লবণাক্ত, কিন্তু ভালো লাগছে।” সে জিভ দিয়ে মাথাটা চাটতে লাগলো, তারপর পুরোটা গলার ভেতর নিয়ে চুষতে শুরু করলো। আমি তার মাথায় হাত রেখে জোরে চোদাতে লাগলাম মুখে। “খা শালী, আমার বীর্য খেয়ে নে।”
প্রায় দশ মিনিট চুষার পর আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। তার পা দুটো ছড়িয়ে দিয়ে ভোদায় মুখ গুঁজে দিলাম। জিভ দিয়ে তার ক্লিটরিস চাটতে লাগলাম। রিয়া পাগলের মতো চিৎকার করছে, “ভাইয়া, চাটো, আরো ভেতরে জিভ ঢোকাও, আমার ভোদা তোমার জন্যই!” তার রস মুখে এসে লাগছে, গরম আর টক। আমি দুই আঙুল ভোদায় ঢুকিয়ে আঙুল চালাতে লাগলাম আর জিভ দিয়ে চাটছি। সে কাঁপতে কাঁপতে একবার ঝরে গেল। “আহহহহ, ভাইয়া আমি গেলাম!”
এবার আমি তার উপর উঠে বারাটা তার ভোদার মুখে ঠেকিয়ে ধীরে ধীরে ঢুকাতে লাগলাম। “শালী, তোর ভোদা কত টাইট!” সে পা দুটো আমার কোমরে জড়িয়ে ধরলো। “পুরোটা ঢোকাও ভাইয়া, আমাকে ফাঁক করে দাও!” আমি এক ধাক্কায় পুরোটা ঢুকিয়ে দিলাম। তার ভোদা গরম, ভিজে, আর মাংসল। আমি জোরে জোরে চোদাতে শুরু করলাম। প্রতি ধাক্কায় তার দুধ দুলছে, আর সে চিৎকার করছে, “চোদো ভাইয়া, হার্ড চোদো, তোমার শালীকে গর্ভবতী করে দাও!” আমি তার দুধ চেপে ধরে আরো জোরে চালাচ্ছি। ঘামে ভিজে যাচ্ছে দুজনেই।
প্রায় বিশ মিনিট এভাবে চোদার পর আমি তাকে কুকুরের মতো করে ঘুরিয়ে দিলাম। পাছা উঁচু করে তার পেছন থেকে ঢুকিয়ে দিলাম। তার পাছার ফুটোয় আঙুল ঢুকিয়ে ঘষতে লাগলাম। “ভাইয়া, পাছায়ও দাও না!” সে বললো। আমি বারাটা বের করে তার পায়ুপথে ঠেকালাম। লবণাক্ত রস লাগিয়ে ধীরে ঢুকাতে লাগলাম। সে চিৎকার করছে, “আহ আহ, পাছা ফেটে যাচ্ছে, কিন্তু ভালো লাগছে!” আমি পুরোটা ঢুকিয়ে পেছন থেকে জোরে চোদাতে লাগলাম। এক হাতে তার দুধ চেপে ধরে টানছি, আরেক হাতে তার চুল ধরে টানছি। “নাও শালী, তোর দুই ফুটোই আমার!”
আমরা তিন চারবার পজিশন বদলালাম। কখনো মিশনারি, কখনো কাউগার্ল, কখনো স্ট্যান্ডিং। রিয়া আমার বুকে চড়ে উপর থেকে চোদাচ্ছে, তার দুধ আমার মুখে ঝুলছে। আমি চুষছি আর সে নিচে নিচে বসে বারাটা পুরোটা নিচ্ছে। তার ভোদার রস আমার পেটে গড়িয়ে পড়ছে। “ভাইয়া, আমি আবার যাচ্ছি!” সে কাঁপতে কাঁপতে ঝরে গেল। আমিও আর থাকতে পারলাম না। “শালী, বীর্য নে!” আমি তার ভোদার ভেতরেই ঝরিয়ে দিলাম, গরম গরম বীর্য তার গর্ভে ঢুকছে। সে শরীর কাঁপিয়ে নিলো।
রাতভর আমরা চোদাচুদি করলাম। সকালে সে বললো, “ভাইয়া, রুমানা ফিরে আসার আগে আরো অনেকবার চোদবে?” আমি হাসলাম, “হ্যাঁ শালী, এখন থেকে তোর ভোদা আর পাছা আমারই।”
(শেষ)