
হাই বন্ধুরা, আমি রাহুল। ঢাকার উত্তরায় আমাদের ফ্ল্যাটে থাকি। বয়স তেইশ। আমার দাদা সিয়াম ভাই ত্রিশের কাছাকাছি, সে বিয়ে করে ফেলেছে গত বছর। তার বউ মানে আমার ভাবি রুমানা, বয়স সাতাশ। ফর্সা, মোটামুটি লম্বা, বুক দুটো এমন যে দেখলেই চোখ ফেরানো যায় না। গোলাপি ঠোঁট, কোমরের নিচে মোটা পাছা, আর গুদের গন্ধ যখন কাছে যাই তখন মাথা ঘুরে যায়।
সিয়াম ভাই অফিসে থাকে অনেক। আমি ফ্রিল্যান্সার, বাসায় বেশি থাকি। রুমানা ভাবি প্রথম প্রথম লজ্জা করত, কিন্তু ধীরে ধীরে কথা বাড়তে লাগল। একদিন সে বলল, “রাহুল, তুই তো অনেক ফ্রি, আমার সাথে একটু গল্প করবি?” আমি হেসে বললাম, “যা খুশি বলো ভাবি।” সেদিন থেকে আমরা দুজনে একসাথে বসে টিভি দেখি, রান্না করি। তার শরীরের গন্ধ আমার নাকের ভিতর ঢুকে যায়। সে যখন রান্নাঘরে দাঁড়ায়, তার পিছন থেকে তার পাছার মাংস দুটো দেখে আমার বারা শক্ত হয়ে যায়।
একদিন বৃষ্টির সন্ধ্যায় সিয়াম ভাই অফিস থেকে লেট করবে বলে জানাল। আমি আর রুমানা ভাবি দুজনে একা। সে জামা পায়জামা পরে বসে আছে, জামার ভিতর থেকে তার বড় বড় স্তন দুটো ঝুলে পড়ার মতো লাগছে। আমি তার পাশে বসে বললাম, “ভাবি, তোমার শরীর এত সুন্দর কেন?” সে লাল হয়ে গেল, কিন্তু হাসল। “রাহুল, এসব কথা বলিস না।” আমি তার কোমরে হাত রাখলাম। “ভাবি, আমি তোমার দাদার ভাই, কিন্তু তোমার এই মোটা পাছা আর গুদ দেখে আমার আর থাকা যায় না।” সে চুপ করে রইল। আমি তার ঠোঁটে চুমু খেলাম। প্রথমে সে ঠেলে দিতে চাইল, কিন্তু তারপর জড়িয়ে ধরল।
আমি তার জামা খুলে ফেললাম। তার দুইটা স্তন বেরিয়ে পড়ল, কালো বড় বড় বোটা শক্ত হয়ে আছে। আমি একটা বোটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম, আরেকটা হাত দিয়ে মাখতে লাগলাম। ভাবি চিৎকার করে উঠল, “আহহ, রাহুল, চুষ, আরো জোরে চুষ।” আমি তার পায়জামা খুলে দিলাম। তার গুদ দেখে আমার চোখ স্থির হয়ে গেল। লোম কামানো, গোলাপি ঠোঁট দুটো ফোলা, ভিতর থেকে রস বেরোচ্ছে। আমি আঙুল দিয়ে তার গুদের ভিতর ঢুকিয়ে দিলাম। “ভাবি, তোমার গুদ এত ভিজা কেন? দাদার বারা খেয়ে খেয়ে এত লোভী হয়ে গেছে?” সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, “হ্যাঁ রাহুল, তোর দাদা তো শুধু দুই মিনিট চোদে, তারপর ঘুমিয়ে পড়ে। তুই আমার এই চোদা গুদটা ভালো করে চোদ।”
আমি তার গুদ চাটতে শুরু করলাম। জিভ দিয়ে তার ক্লিটরিস চাটছি, আর দুই আঙুল তার ভিতর ঢুকিয়ে বার করছি। রসের স্বাদ নোনতা আর মিষ্টি। ভাবি পা দুটো ছড়িয়ে দিয়ে চিৎকার করছে, “আরো গভীরে চাট, রাহুল, তোর জিভ দিয়ে আমার গুদ ফাটিয়ে দে।” আমি তার গুদের ভিতর জিভ ঢুকিয়ে চাটছি, তার পাছার মাংস দুটো হাত দিয়ে চেপে ধরছি। তারপর আমি উঠে দাঁড়ালাম, আমার বারা বের করে তার মুখের সামনে ধরলাম। “চুষ ভাবি, তোর দাদার ভাইয়ের বারা চুষে খা।” সে আমার বারা মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। তার গরম মুখের ভিতর বারা যাওয়া আসা করছে, তার জিভ দিয়ে মাথা চাটছে। আমি তার মাথা চেপে ধরে মুখে চোদা দিচ্ছি। “ভাবি, গলা পর্যন্ত নে, আরো গভীরে।”
এরপর আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। তার পা দুটো কাঁধে তুলে আমার বারা তার গুদের মুখে ঠেকালাম। “ভাবি, বল, চোদ আমাকে।” সে বলল, “চোদ রাহুল, তোর মোটা বারা দিয়ে আমার গুদ ফাটিয়ে দে।” আমি এক ঠেলায় পুরো বারা তার গুদে ঢুকিয়ে দিলাম। সে চিৎকার করে উঠল, “আহহহ, কত মোটা, আমার গুদ ফেটে যাচ্ছে।” আমি জোরে জোরে চোদা শুরু করলাম। তার স্তন দুটো দুলছে, গুদ থেকে রস বেরিয়ে আমার বারা ভিজিয়ে দিচ্ছে। প্রতি ঠেলায় “পাচ পাচ” শব্দ হচ্ছে। আমি তার গুদের ভিতর বারা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মারছি। ভাবি হাঁপাচ্ছে, “আরো জোরে, দাদা, তোর বারা দিয়ে আমার গর্ভবতী করে দে।”
আমি তাকে উল্টে দিলাম, কুকুরের মতো পেছন থেকে চোদতে লাগলাম। তার পাছার দুই গাল চেপে ধরে বারা ঢুকিয়ে দিচ্ছি। তার পায়ুপথের গর্তটা দেখে আমার লোভ হল। আঙুল দিয়ে সেখানে ঢুকিয়ে দিলাম। “ভাবি, তোর পায়ুতেও চোদব?” সে বলল, “হ্যাঁ, দাদা, সব জায়গায় চোদ।” আমি তার গুদ থেকে বারা বের করে তার পায়ুতে ঢুকিয়ে দিলাম। সে চিৎকার করছে, কিন্তু পেছন দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আমি দুই জায়গায় আঙুল আর বারা দিয়ে চোদছি। তারপর আবার গুদে ফিরে এলাম।
আমরা দুজনে ঘামে ভিজে গেছি। তার শরীর থেকে ঘামের ফোঁটা আমার বুকে পড়ছে। আমি তার স্তন চুষতে চুষতে চোদছি। ভাবি বলছে, “রাহুল, আমি আসছি, তোর বারা দিয়ে আমার গুদ ভরিয়ে দে।” আমি তার গুদের ভিতর গরম বীর্য ঢেলে দিলাম। সে কাঁপছে, তার গুদ আমার বারা চেপে ধরছে। তারপর আমি বের করে তার মুখে দিলাম, সে চুষে পরিষ্কার করে দিল।
এরপর থেকে প্রায় প্রতি রাতে যখন সিয়াম ভাই থাকে না, আমি আর রুমানা ভাবি এভাবে চুদি। তার গুদ এখন আমার জন্যই ভিজে থাকে। সে বলে, “দাদা, তুই না হলে আমার এই চোদা গুদটা মরে যেত।” আমি তার পাছা, স্তন, গুদ সব চাটি, চুষি, চোদি। রস, ঘাম, বীর্য মিলিয়ে সারা বিছানা ভিজে যায়। এভাবেই চলছে আমাদের গোপন চোদাচুদি।
(গল্পের শেষ, কিন্তু আমাদের চোদাচুদি চলতেই থাকবে।)