
হাই বন্ধুরা, আমি রাহুল। ঢাকার উত্তরায় থাকি, বয়স ২২। আমার বন্ধু সিয়ামের মা রুমানা আপুকে নিয়ে এই গল্পটা লিখছি। সিয়াম আমার কলেজের বেস্ট ফ্রেন্ড, তার বাড়ি উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরে একটা তিন তলার ফ্ল্যাটে। রুমানা আপু বয়সে ৪২, কিন্তু শরীরটা এমন যে যেকোনো ২৫ বছরের মেয়েকে হার মানায়। বড় বড় স্তন, গোলাপি চোদার মতো ঠোঁট, চওড়া কোমর আর মোটা পাছা। তার স্বামী প্রায়ই বিদেশে থাকে, তাই বাড়িতে প্রায়ই আমি আর সিয়াম একা থাকতাম। কিন্তু সিয়াম যখন বাইরে যেত, রুমানা আপুর সাথে আমার গল্প হতো।
প্রথমবার যখন আমি তার সাথে একা হয়েছিলাম, তখন বর্ষাকাল। বৃষ্টি পড়ছিল প্রচণ্ড। সিয়াম বলল, “রাহুল, তুই থেকে যা, আমি মার্কেট যাচ্ছি।” আমি রইলাম লিভিং রুমে। রুমানা আপু রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে এলেন, পরনে শুধু একটা পাতলা নাইটি। বৃষ্টির জলের মতো তার শরীর ভিজে ছিল, নাইটির নিচে কোনো ব্রা ছিল না, দুটো স্তন স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। আমার ল্যাংটা হয়ে গেল তক্ষুনি।
“রাহুল, চা খাবে?” তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, গলা নরম। আমি হ্যাঁ বললাম। চা নিয়ে যখন তিনি সামনে এলেন, নাইটির ফাঁক দিয়ে তার একটা স্তনের বোঁটা দেখা গেল। আমি চোখ সরাতে পারলাম না। তিনি হাসলেন, “কী দেখছিস রে? লজ্জা করে না?” তারপর সোজা বললেন, “আমার স্বামী মাসের পর মাস বাইরে থাকে। তুই তো সিয়ামের বন্ধু, কিন্তু আমার চোখে তুই অন্যরকম।”
আমি সাহস করে বললাম, “আপু, আপনার শরীর দেখে আমার নিয়ন্ত্রণ থাকে না।” তিনি কাছে এসে বসলেন, তার হাত আমার জাংয়ে। “তাহলে দেখ, কতটা শক্ত হয়েছে।” তিনি আমার প্যান্টের ভেতর হাত ঢুকিয়ে আমার মোটা, লম্বা বাড়া ধরে চেপে ধরলেন। “উফ, এত বড়! সিয়ামের বাবারটা এত বড় না।” আমি তার স্তন দুটো চেপে ধরলাম, নাইটি খুলে ফেললাম। দুটো স্তন বেরিয়ে পড়ল, গোলাপি বোঁটা শক্ত হয়ে আছে। আমি চুষতে শুরু করলাম, জিভ দিয়ে চাটতে লাগলাম। তিনি আঃ আঃ করে চিৎকার করলেন, “চুস রাহুল, আরো জোরে চুস, আমার দুধ খেয়ে নে!”
তারপর তিনি আমার বাড়া মুখে নিলেন। জিভ দিয়ে মাথাটা চাটতে চাটতে পুরোটা গলার ভেতর নিয়ে গেলেন। “গল্পের মতো চোদার জন্য তৈরি হয়ে গেছি রে।” আমি তার মাথা চেপে ধরে মুখে চোদা শুরু করলাম। তার লাল ঠোঁট আর জিভের ছোঁয়ায় আমার বাড়া পুরোপুরি ভেজা হয়ে গেল, লালা আর প্রাক-কামের মিশ্রণে চকচক করছিল।
আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। তার প্যান্টি খুলে ফেললাম। চুল কামানো গুদ, গোলাপি আর ভেজা। আমি জিভ দিয়ে চাটতে লাগলাম, ক্লিট চুষতে লাগলাম। তিনি চিৎকার করে উঠলেন, “আরো জোরে চাট, গুদটা চেটে দে, আমার মাল বের করে দে!” তার গুদ থেকে রস বের হচ্ছিল, আমি সব চেটে খেলাম। তারপর দুই আঙুল ঢুকিয়ে আঙুল দিয়ে চোদা শুরু করলাম। তিনি কাঁপতে লাগলেন, “আরো, আরো আঙুল দে, গুদ ফাটিয়ে দে!”
আমি তার ওপর উঠে বাড়া তার গুদে ঢুকিয়ে দিলাম। প্রথমে আস্তে, তারপর জোরে জোরে ঠেলা দিতে লাগলাম। “আপু, আপনার গুদ কত টাইট! আমার বাড়া পুরোটা নিচ্ছে!” তিনি পা দুটো আমার কাঁধে তুলে দিয়ে বললেন, “চোদ, জোরে চোদ, তোর বন্ধুর মায়ের গুদ চোদ! আমার স্তন চেপে চেপে চোদ!” আমি তার স্তন দুটো চেপে ধরে, বোঁটা টেনে টেনে জোরে চোদতে লাগলাম। ঘরে শুধু “চপ চপ” শব্দ আর তার “আহ আহ ফাক মি হার্ডার” চিৎকার।
আমি তাকে ডগি স্টাইলে নিলাম। পেছন থেকে বাড়া ঢুকিয়ে জোরে জোরে ঠেলা দিতে লাগলাম। তার মোটা পাছা চেপে ধরে মারতে লাগলাম। “রাহুল, আমার পাছায় আঘাত কর, আরো জোরে মার!” তার গুদ থেকে রস ঝরে পড়ছিল, আমার বাড়া ভিজে চকচক করছিল। আমি তার চুল ধরে টেনে চোদতে লাগলাম।
তারপর তিনি উপরে উঠে আমার বাড়ায় বসে চোদা শুরু করলেন। তার স্তন দুলতে দুলতে তিনি উপর নিচ করতে লাগলেন। “তোর মোটা বাড়া আমার গুদ ফাটিয়ে দিচ্ছে!” আমি তার কোমর ধরে সাহায্য করতে লাগলাম। শেষে আমি মাল ফেললাম তার গুদের ভেতর। তিনি কাঁপতে কাঁপতে মাল ফেললেন, “আমার গুদ ভরে দে তোর গরম মাল দিয়ে!”
এরপর আমরা আবার শুরু করলাম। এবার তিনি আমার মুখে বসলেন, গুদ আমার মুখে ঘষতে লাগলেন। আমি চাটতে লাগলাম, তার রস খেতে লাগলাম। তারপর আবার চোদা, এবার সাইডে শুয়ে, তার একটা পা তুলে। তার গুদের ভেতর আমার বাড়া যাওয়া আসা করতে করতে আমি তার স্তন চুষতে লাগলাম।
রাতভর এভাবে চলল। সিয়াম ফিরে আসার আগে আমরা গোসল করে নিলাম। কিন্তু পরের দিন থেকে এটা নিয়মিত হয়ে গেল। রুমানা আপু বলতেন, “তুই আমার গোপন প্রেমিক, সিয়াম জানবে না।” আমি তার গুদ, পাছা, স্তন সব চুষে চুষে, জোরে চোদে তাকে সন্তুষ্ট করতাম। তার গুদের রস, আমার মাল, সব মিলিয়ে বিছানা ভিজে যেত।
এভাবেই আমাদের গোপন সম্পর্ক চলতে লাগল। রুমানা আপুর গুদের স্বাদ আর তার চিৎকার আমার কাছে সবচেয়ে বড় আনন্দ। বন্ধুর মা হলেও তিনি আমার সবচেয়ে ভালো চোদার সঙ্গী।
(গল্পের শেষ, কিন্তু আমাদের চোদাচুদি চলতেই থাকবে।)