
হাই বন্ধুরা, আমি রাহুল। ঢাকার মিরপুরে থাকি। বয়স ২২, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি। আমার পাশের ফ্ল্যাটে থাকেন রুমানা আন্টি। বয়স ৩৫, কিন্তু শরীর দেখলে মনে হয় ২৫। বিশাল বড় বড় দুধ, গোলাপি রং, মোটা মোটা নিতম্ব আর পেটে একটু মাংস। স্বামী বিদেশে থাকে, একটা ছেলে আছে স্কুলে। আমি প্রায়ই তাদের ফ্ল্যাটে যাই, কথা বলি, হাসি। কিন্তু আসল কথা হলো, রুমানা আন্টি আমার চোখে সবসময় নোংরা ভাবে দেখায়। তার চোখের দৃষ্টি, তার শাড়ি পরার ধরন, সবকিছু আমাকে পাগল করে দেয়।
একদিন বৃষ্টির সন্ধ্যায় সবকিছু বদলে গেল। আমি একা বাসায় ছিলাম। দরজায় নক শুনে খুলতেই দেখি রুমানা আন্টি, ভিজে শাড়ি পরে। শাড়ি তার শরীরে লেপটে আছে, দুধের কালো ব্রা দেখা যাচ্ছে। "রাহুল, লাইট নেই আমার ফ্ল্যাটে। তোমার সাথে বসি একটু?" তার গলা নরম, কিন্তু চোখে কামের আগুন। আমি বললাম, "আসুন আন্টি।" সে ভিতরে ঢুকে বসল সোফায়। বৃষ্টির শব্দে ঘরটা অন্ধকার। আমি তার পাশে বসলাম। তার শরীর থেকে গরম ভাপ বেরোচ্ছে।
"রাহুল, তুমি আমাকে কেমন দেখো? আমি জানি তুমি আমার দিকে তাকাও।" সে সরাসরি বলল। আমার লজ্জা করল না। "আন্টি, আপনার শরীর দেখে আমার শালা ঠিক থাকে না। আপনার এই মোটা দুধ দুটো, এই চূদের ফাঁক, সব আমাকে পাগল করে।" সে হাসল, "তাহলে দেখ না, ছুঁয়ে দেখ।" আমি তার শাড়ি সরিয়ে দুধে হাত দিলাম। দুধ দুটো ভারী, নরম, কিন্তু বোঁটা শক্ত হয়ে আছে। আমি চেপে ধরলাম, আন্টি চিৎকার করে উঠল, "আরে শালা, জোরে চাপ, দুধ চুষে খা আমার!"
আমি তার ব্লাউজ খুলে দিলাম। দুধ বেরিয়ে পড়ল, বড় বড়, গোলাপি বোঁটা। আমি একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম, আরেকটা হাতে মেখে চেপে ধরলাম। দুধ থেকে ঘাম বেরোচ্ছে, লবণাক্ত স্বাদ। আন্টি আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, "হ্যাঁ রাহুল, চুষ, তোর আন্টির দুধ খা। আমার চূদ এখন ভিজে গেছে।" আমি তার শাড়ি আর পেটিকোট খুলে ফেললাম। নিচে কোনো প্যান্টি নেই। তার চূদ টাক মাথা, ঠোঁট দুটো মোটা, ভিতর থেকে রস ঝরছে। আমি আঙুল ঢুকিয়ে দেখলাম, গরম আর টাইট।
"আন্টি, তোমার এই চূদটা কত সুন্দর, রস বেরোচ্ছে।" আমি আঙুল দিয়ে ঘষতে লাগলাম ক্লিট। আন্টি কাঁপতে লাগল, "আরে বাপ, চাট, চাট আমার চূদ!" আমি নিচে নামলাম, তার পা ছড়িয়ে চূদে মুখ লাগালাম। জিভ দিয়ে চাটতে লাগলাম, রসের স্বাদ নোনতা আর মিষ্টি। আন্টি আমার মাথা চেপে ধরে বলল, "জিভ ঢুকিয়ে চোদ, শালা!" আমি জিভ ঢুকিয়ে আন্দোলন করলাম, তার ক্লিট চুষে নিলাম। সে চিৎকার করতে লাগল, "হ্যাঁ, আরো জোরে, আমি মরে যাচ্ছি!"
তারপর আন্টি আমার প্যান্ট খুলে দিল। আমার ল্যাংটা বেরিয়ে পড়ল, শক্ত, লম্বা, মাথায় প্রি-কাম। "ওহ, তোর এই বড় বাড়া দেখে আমার চূদ আরো ভিজে গেল।" সে আমার বাড়া মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। তার জিভ বাড়ার মাথায় ঘুরছে, গলা পর্যন্ত নিচ্ছে। আমি তার চুল ধরে থাপ্পড় মারছি, "চুষ আন্টি, তোর মুখের চূদ চোদ!" সে আরো জোরে চুষছে, লালা ঝরছে।
আমি তাকে শোয়ালাম। তার পা দুটো কাঁধে তুলে বাড়া চূদে ঢুকিয়ে দিলাম। এক ঠেলায় পুরোটা ঢুকে গেল। আন্টি চিৎকার, "আরে মাগো, বড় লাগছে! চোদ আমাকে, জোরে চোদ!" আমি থাপ্পড় মেরে মেরে চোদতে লাগলাম। তার দুধ দুলছে, রস বেরিয়ে আমার বাড়া ভিজিয়ে দিচ্ছে। প্রত্যেক থাপ্পড়ে "ফচ ফচ" শব্দ হচ্ছে। আন্টি বলছে, "তোর বাড়া আমার চূদ ফাটিয়ে দিচ্ছে, আরো গভীরে ঢোক!"
আমি তাকে ডগি স্টাইলে করলাম। পেছন থেকে ঢুকিয়ে চোদছি, তার নিতম্বে চাপড় মারছি। "দেখ আন্টি, তোর মোটা পাছা কেমন লাল হয়ে যাচ্ছে।" সে পেছন ফিরে বলল, "চোদ, শালা, তোর আন্টিকে গাধার মত চোদ!" আমি তার চুল ধরে টানছি, আরো জোরে থাপ্পড় মারছি। তার চূদ থেকে রস ঝরে পড়ছে মেঝেতে।
তারপর আন্টি উপরে উঠে বসল আমার বাড়ায়। সে নিজে নিজে উপর নিচ করতে লাগল। তার দুধ আমার মুখের সামনে, আমি চুষছি। "রাহুল, তোর বাড়া আমার গর্ভে ঢুকছে। আমি তোর চাচাকে ফাঁকি দিয়ে তোর সাথে চুদছি!" আমি তার কোমর ধরে সাহায্য করছি। সে কাঁপতে কাঁপতে চুদে উঠল, "আমি যাচ্ছি, আমি আসছি!" তার চূদ চেপে ধরল আমার বাড়া, গরম রস বেরিয়ে এলো।
আমিও শেষ করলাম। "আন্টি, আমি তোমার ভিতরে ঢালব!" সে বলল, "ঢাল, আমার চূদ ভরে দে!" আমি জোরে ঠেলে সব ঢেলে দিলাম। গরম বীর্য তার চূদ ভরিয়ে দিল। আমরা দুজনে ঘামে ভিজে একসাথে শুয়ে রইলাম। আন্টি বলল, "এটা শুরু মাত্র, রাহুল। প্রতি রাতে আসবি।"
এরপর থেকে প্রায় প্রতিদিনই আমরা চুদি। কখনো রান্নাঘরে, কখনো বারান্দায়, কখনো গাড়িতে। আন্টির চূদ আমার বাড়ার জন্য পাগল হয়ে আছে। তার দুধ চুষে চুষে আমি তৃপ্ত হই। এই গল্প শেষ নয়, আরো অনেক রাত বাকি আছে।