হাই বন্ধুরা, আমি রুমানা খান। বয়স ২৪, ঢাকার উত্তরায় আমাদের ফ্ল্যাটে থাকি। বাবা সিয়াম খান, ৪৮ বছরের স্বাস্থ্যবান মানুষ, বড় বড় হাত, চওড়া বুক, মোটা লিঙ্গ যা আমি অনেকবার দেখেছি আর অনুভব করেছি। মা চলে যাওয়ার পর থেকে বাবা আর আমি একা। শুরুতে সব স্বাভাবিক ছিল, কিন্তু একদিন রাতে বৃষ্টিতে সব বদলে গেল।
সেই রাতে আমি শুধু একটা পাতলা নাইটি পরে বিছানায় শুয়ে ছিলাম। বাবা ঘরে ঢুকলেন, চোখে অদ্ভুত একটা চাহনি। “রুমানা, তুই এত সুন্দর হয়ে গেছিস,” বলে তিনি আমার পাশে বসলেন। তার হাত আমার উরুতে পড়ল। আমি থমকে গেলাম, কিন্তু শরীর গরম হয়ে উঠল। বাবা আস্তে আস্তে নাইটি তুলে আমার বড় বড় স্তন দুটো বের করে ধরলেন। “কী মোটা মোটা বুক তোর, মেয়ে,” বলে চুষতে লাগলেন। তার জিভ আমার কালো বড় বড় নিপল চাটছিল, কামড়াচ্ছিল। আমি আঃ করে উঠলাম, “বাবা…

এটা ঠিক না।” কিন্তু আমার পাছা নিজে থেকে উঠছিল।
বাবা আমার প্যান্টি খুলে ফেললেন। আমার গুদটা ভিজে চকচক করছিল। তিনি আঙুল ঢুকিয়ে বললেন, “দেখ তোর ফুটকি কত টাইট আর ভেজা। বাবার লাগবে এখন।” তার মোটা আঙুল আমার ভিতরে ঢুকিয়ে বের করছিল, রস বের হচ্ছিল। আমি কাঁপছিলাম। তারপর বাবা নিজের প্যান্ট খুলে তার বিশাল শক্ত লিঙ্গ বের করলেন। ৮ ইঞ্চি লম্বা, মোটা, শিরা শিরা, মাথায় প্রি-কামের ফোঁটা। “চুস তোর বাবার বাড়া,” বলে মুখের কাছে ধরলেন।
আমি জিভ দিয়ে চাটলাম, তারপর পুরোটা মুখে নিলাম। বাবার লিঙ্গ গলার গভীরে ঢুকছিল, আমি গলা দিয়ে শব্দ করছিলাম “গ্লক গ্লক”। লালা আর প্রি-কাম মিশে আমার ঠোঁট বেয়ে পড়ছিল। বাবা আমার মাথা চেপে ধরে চোদাচ্ছিলেন মুখে। “আরে মেয়ে, তোর মুখের ভিতরে বাবার বাড়া কত মজা,” বলে আওয়াজ করছিলেন। আমি চোখে পানি এনে চুষছিলাম, তার বলস দুটো হাতে নিয়ে মাখছিলাম।
তারপর বাবা আমাকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে আমার পা দুটো ছড়িয়ে ধরলেন। তার লিঙ্গ আমার গুদের ঠোঁটে ঘষতে লাগলেন। “বল, বাবা, চোদো আমাকে,” বললেন। আমি লজ্জায় লাল হয়ে বললাম, “বাবা, তোমার মোটা বাড়া দিয়ে আমার টাইট গুদ চোদো।” বাবা এক ঠেলায় পুরোটা ঢুকিয়ে দিলেন। আমি চিৎকার করে উঠলাম, “আঃ বাবা, ফাটিয়ে দিলে!” তার মোটা লিঙ্গ আমার ভিতরে পুরোটা ভরে গিয়েছিল, আমার গুদ টানটান হয়ে গিয়েছিল।
বাবা জোরে জোরে চোদাতে লাগলেন। “প্লপ প্লপ” শব্দ হচ্ছিল আমার ভেজা গুদ থেকে। তার হাত আমার স্তন দুটো চেপে ধরে মাখছিল, নিপল চিমটি কাটছিল। আমি পা জড়িয়ে ধরেছিলাম তার কোমরে, “আরো জোরে বাবা, তোর মেয়ের গুদ ফাটিয়ে দে।” বাবা ঘামছে, তার শরীরের গন্ধ আমার নাকে লাগছিল। তিনি আমার গুদের ভিতরে লিঙ্গ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মারছিলেন, আমার ক্লিট ঘষছিলেন। আমি প্রায় অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিলাম আনন্দে।
একসময় বাবা আমাকে কুকুরের মতো করে উপুড় করে শুইয়ে দিলেন। পেছন থেকে ঢুকিয়ে চোদাতে লাগলেন। তার হাত আমার পাছার মাংস চেপে ধরে টানছিল। “দেখ তোর মোটা পাছা কাঁপছে,” বলে আঘাত করছিলেন। আমার গুদ থেকে রস ঝরে পড়ছিল বিছানায়। বাবা আঙুল দিয়ে আমার পায়ুপথে ঢুকিয়ে দিলেন, দুই জায়গায় একসাথে খেলছিলেন। আমি চিৎকার করছিলাম, “বাবা, আমি আসছি!” আমার গুদ কেঁপে উঠল, রস বের হয়ে তার লিঙ্গ ভিজিয়ে দিল।
বাবা আমাকে আবার সামনের দিকে ঘুরিয়ে শুইয়ে দিয়ে আমার উপর চেপে বসলেন। তার লিঙ্গ আবার ঢুকিয়ে জোরে চোদাচ্ছিলেন। “তোর বাবার বীর্য খাবি আজ,” বলে তিনি গর্জন করে উঠলেন। তার গরম গরম বীর্য আমার গুদের গভীরে ঝরে পড়ল। আমি অনুভব করছিলাম প্রতিটা ফোঁটা। বাবা লিঙ্গ বের করে আমার মুখে দিলেন, বাকি বীর্য আমার ঠোঁটে লাগল। আমি জিভ দিয়ে চেটে খেলাম।
রাতভর এভাবে চলল। বাবা আমাকে বিভিন্ন পজিশনে চোদালেন – আমি উপরে চেপে বসে চোদালাম, তারপর দেওয়ালে ঠেস দিয়ে। প্রতিবার আমার গুদ ভরে যাচ্ছিল তার মোটা লিঙ্গে। সকালে যখন আলো ফুটল, আমরা দুজন ঘামে ভিজে একসাথে শুয়ে ছিলাম। বাবা আমার কপালে চুমু দিয়ে বললেন, “এটা আমাদের গোপন রহস্য।”
এরপর থেকে প্রায়ই রাতে এমন হয়। আমি বাবার লিঙ্গ চুষি, তিনি আমার গুদ চাটেন, তারপর দীর্ঘক্ষণ চোদেন। আমার শরীর এখন বাবার জন্য পুরোপুরি তৈরি। এই গল্প শুনে তোমরা কেমন লাগলো? আরো বিস্তারিত চাইলে বলো।