হাই বন্ধুরা, আমি রুমানা। বয়স ৩২, ঢাকার উত্তরায় একটা প্রাইভেট কলেজে ইংরেজি লেকচারার হিসেবে চাকরি করি। ফিগারটা একটু বেশিই আকর্ষণীয়, বুকের সাইজ ৩৬ডি, কোমর সরু, পাছা গোলাপি আর মোটা। স্বামী বিদেশে থাকে, তাই একা একা অনেক সময় লাগে। কিন্তু গত মাসে যা ঘটল, সেটা আমার জীবনের সবচেয়ে নোংরা আর উত্তেজনাকর অভিজ্ঞতা। আমারই তিনজন স্টুডেন্ট আমাকে গ্যাংব্যাং করেছে কলেজের একটা খালি ক্লাসরুমে। আজ সেই গল্পটা বিস্তারিত বলব, কোনো কিছু বাদ দিয়ে না।
সেদিন বৃষ্টি হচ্ছিল প্রচণ্ড। ক্লাস শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু আমি লাইব্রেরিতে কিছু নোটস নিয়ে বসে ছিলাম। রাত প্রায় সাড়ে সাতটা। হঠাৎ দরজায় নক পড়ল। তিনজন ছেলে—আরিয়ান, রাহুল আর সোহান। সবাই ফাইনাল ইয়ারের, বয়স ২২-২৩। তারা বলল, “ম্যাডাম, একটু হেল্প লাগবে। আপনার ক্লাসের অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে কথা বলব।” আমি দরজা খুলে দিলাম। তারা ভিতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল।
আরিয়ান প্রথমে হাসল, “ম্যাডাম, আপনার শরীরটা দেখে আমরা পাগল হয়ে যাই। আজ একা পেয়েছি, তাই চুদবো।” আমি শকড হয়ে গেলাম, “কী বলছিস তুই? বেরিয়ে যা এখান থেকে!” কিন্তু রাহুল পিছন থেকে আমার কোমর জড়িয়ে ধরল, তার শক্ত লিঙ্গ আমার পাছায় ঘষতে লাগল। “ম্যাডাম, আপনার এই মোটা পাছা আর বড় বুক দেখে আমাদের বারা শক্ত হয়ে গেছে। আজ না চোদালে ছাড়ব না।” সোহান আমার শাড়ির আঁচল টেনে নামিয়ে দিল। আমার কালো ব্রা আর পেটিকোট বেরিয়ে পড়ল।
আমি চেষ্টা করলাম ধাক্কা দিয়ে বেরোতে, কিন্তু তারা তিনজন মিলে আমাকে টেবিলের উপর শুইয়ে দিল। আরিয়ান আমার বুকের উপর উঠে বসল, তার হাত দিয়ে আমার ব্রা খুলে ফেলল। আমার দুটো বড় স্তন বেরিয়ে পড়ল, নিপলগুলো শক্ত হয়ে উঠেছে। সে একটা স্তন মুখে নিয়ে চুষতে লাগল, জিভ দিয়ে নিপল চাটতে চাটতে বলল, “ম্যাডামের দুধ খুব মিষ্টি, চুষে চুষে খাব।” রাহুল নিচে আমার পেটিকোট আর প্যান্টি টেনে খুলে ফেলল। আমার গুদটা ইতিমধ্যে ভিজে গেছে, লোমগুলো ভেজা ভেজা। সে আমার পায়ের ফাঁক করে দুই আঙুল ঢুকিয়ে আঙুল দিয়ে চোদা শুরু করল, “ম্যাডামের গুদটা খুব টাইট আর গরম, রস বেরোচ্ছে প্রচুর।”
আমি আর প্রতিবাদ করতে পারলাম না। শরীরটা জ্বলে উঠছিল। সোহান তার প্যান্ট খুলে তার মোটা বারা বের করে আমার মুখের সামনে ধরল, “চুষো ম্যাডাম, আমাদের বারা চুষে ভিজিয়ে দাও।” আমি মুখ খুলে তার লাল মাথাটা চুষতে লাগলাম, জিভ দিয়ে লেহন করতে করতে গলার ভিতর পর্যন্ত নিলাম। সে আমার মাথা চেপে ধরে থাপ্পড় মারতে মারতে বলল, “আরও গভীরে নাও, শালী রান্ডি।” এদিকে রাহুল আমার গুদে জিভ ঢুকিয়ে চাটতে লাগল, তার জিভ আমার ক্লিট চাটছিল আর রস চুষে নিচ্ছিল। আমার শরীর কাঁপছিল, “আহহ… তোমরা কী করছ… আমি তোমাদের টিচার!”
তারপর আরিয়ান তার বারা বের করে আমার গুদে ঢুকিয়ে দিল এক ঝটকায়। তার মোটা লিঙ্গটা পুরোটা ঢুকে গেল, আমি চিৎকার করে উঠলাম, “আউউ… খুব মোটা, আস্তে!” কিন্তু সে থামল না, জোরে জোরে থাপ্পড় মারতে মারতে চোদা শুরু করল। প্রত্যেক থাপ্পড়ে তার বল দুটো আমার পাছায় লাগছিল, “ম্যাডামের গুদ চোদার স্বাদ নিচ্ছি, খুব টাইট রে তোর গুদ।” রাহুল আমার মুখে তার বারা ঢুকিয়ে দিল, আমি দুটো বারা একসাথে চুষছি আর চোদা খাচ্ছি। সোহান আমার দুধ দুটো চেপে ধরে চুষছিল, দাঁত দিয়ে নিপল কামড়াচ্ছিল।
পজিশন চেঞ্জ হল। তারা আমাকে কুকুরের মতো হাঁটু গেড়ে বসাল। আরিয়ান পিছন থেকে আমার গুদে ঢুকিয়ে চোদা দিতে লাগল, তার হাত দিয়ে আমার পাছার মাংস চেপে ধরে টানছিল। রাহুল সামনে এসে আমার মুখে বারা ঢুকিয়ে মারতে লাগল, “চুষ রান্ডি টিচার, আমাদের বীর্য খাবি আজ।” সোহান নিচে শুয়ে আমার দুধ চুষছিল আর আঙুল দিয়ে আমার পায়ুপথে ঢুকিয়ে দিল। আমি প্রথমে ভয় পেলাম, কিন্তু তার আঙুলের চোদায় আমার শরীর আরও গরম হয়ে গেল।
তারা পালা করে আমার গুদ, মুখ আর পায়ু চোদা দিতে লাগল। আরিয়ান আমার গুদে জোরে জোরে মারতে মারতে বলল, “ম্যাডাম, তোমার গুদে আমার বীর্য ঢেলে দিব।” সে একটা জোরে থাপ্পড় মেরে তার গরম বীর্য আমার গুদের ভিতর ঢেলে দিল। রাহুল তার জায়গায় এসে আমার পায়ুতে তার মোটা বারা ঢুকিয়ে দিল। ব্যথায় আমি কাঁদতে লাগলাম, “আহহ…

পায়ুতে লাগছে, আস্তে!” কিন্তু সে জোরে জোরে মারতে লাগল, “শালীর পায়ু খুব টাইট, চোদার মজা নিচ্ছি।” সোহান আমার মুখে বীর্য ঢেলে দিল, আমি তার সাদা গরম তরল গিলে ফেললাম।
তারা তিনজন মিলে আমাকে এক ঘণ্টার বেশি চোদা দিল। আমার গুদ থেকে রস আর বীর্য মিশে ঝরছিল, বুক লাল হয়ে গেছে চোষার দাগে, পাছায় থাপ্পড়ের দাগ। শেষে তারা আমাকে বলল, “ম্যাডাম, এটা আমাদের সিক্রেট থাকবে। আবার চাইলে ডাকবেন।” আমি ক্লান্ত হয়ে মেঝেতে পড়ে ছিলাম, শরীর কাঁপছিল অর্গাজমের পর।
পরের দিন কলেজে গিয়ে তাদের মুখোমুখি হলাম, কিন্তু চোখাচোখি হতেই আমার গুদ ভিজে গেল আবার। সেই গ্যাংব্যাং আমার জীবনে সবচেয়ে নোংরা স্মৃতি হয়ে আছে। যদি আরও ডিটেইল চাও, বলো।