
হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান। বয়স ২৮, ঢাকার উত্তরায় থাকি। আমার বাসা একটা ছোট অ্যাপার্টমেন্টে, তিনতলায়। পাশের ফ্ল্যাটে থাকে আমার কাজিন ভাইয়ের বউ, রুমানা বেগম। বয়স তার ৩২। স্বামী বিদেশে থাকে, তাই প্রায়ই একা। রুমানা দেখতে অসাধারণ, মোটা মোটা দুধের মতো বড় বড় স্তন, চওড়া কোমর, মোটাসোটা পাছা যেটা হাঁটার সময় দুলে দুলে যায়। তার শাড়ি পরার ধরনই আলাদা, নিচের দিকে কাপড়টা একটু তুলে পরে যাতে পায়ের গোছটা দেখা যায়।
গত বছরের হোলির কথা বলছি। হোলি উৎসবের দিন সকাল থেকেই রাস্তায় রং ছিটানো শুরু হয়ে গেছে। আমি বাসায় একা ছিলাম, মা-বাবা গ্রামে গেছে। রুমানা আমাকে ফোন করে বলল, “সিয়াম, তুই আয় না, আমার সাথে হোলি খেলবি? একা একা বোরিং লাগছে।” আমি গেলাম তার ফ্ল্যাটে। সে দরজা খুলে দিল লাল শাড়ি পরে, ব্লাউজটা খুব টাইট, দুধ দুটো যেন বেরিয়ে আসতে চাইছে। মুখে হালকা মেকআপ, চোখে কাজল।
“এসো সিয়াম, রং নিয়ে আয়।” সে হাসতে হাসতে বলল। আমি ভিতরে ঢুকতেই সে আমার গায়ে এক মুঠো রং ছুড়ে দিল। আমিও তার গলায় রং মাখিয়ে দিলাম। খেলা শুরু হলো। প্রথমে হালকা হালকা, তারপর সে আমার শার্ট খুলে ফেলল। “তোর শরীরটা দেখি, কতটা মোটা হয়েছে।” তার আঙুল আমার বুকে বুলিয়ে দিল। আমার লিঙ্গ তখনই শক্ত হয়ে উঠছিল।
রুমানা আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “সিয়াম, তোর চোখে কী দেখছি? আমাকে চুদতে চাস?” সে সরাসরি বলে ফেলল। আমি চুপ করে থাকতে পারলাম না। “হ্যাঁ বhabi, তোমার এই মোটা দুধ আর পাছা দেখে আমার বারা শক্ত হয়ে গেছে।” সে হেসে তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিল। ব্লাউজের ভিতর থেকে তার সাদা সাদা বড় বড় স্তন দেখা যাচ্ছে, নিপল দুটো শক্ত হয়ে আছে। “তাহলে নে, চুষে নে।”
আমি তার দুধ চুষতে শুরু করলাম। একটা হাতে চেপে ধরে চুষছি, আরেক হাতে তার পাছায় চাপ দিচ্ছি। রুমানা আওয়াজ করছে, “আহহ, সিয়াম, জোরে চুষ, তোর জিভ দিয়ে নিপলটা কামড়া।” তার শাড়ি খুলে ফেললাম। নিচে কোনো প্যান্টি নেই, পুরোপুরি ন্যাংটা। তার যোনি টাক করা, ঠোঁট দুটো মোটা, ভিতর থেকে রস বেরোচ্ছে। আমি দুই আঙুল ঢুকিয়ে দিলাম। “বhabi, তোমার ভোদা তো পুরো ভিজে গেছে।” “হ্যাঁ রে বদমাশ, তোর জন্যই ভিজেছে। চোদ, জোরে চোদ।”
আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। আমার প্যান্ট খুলে লিঙ্গ বের করে তার মুখে দিলাম। সে চুষতে শুরু করল, জিভ দিয়ে মাথাটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাটছে। “উম্ম, সিয়ামের বারাটা কত মোটা, গলায় ঢুকে যাচ্ছে।” আমি তার মাথা চেপে ধরে মুখে চোদছি। তারপর উল্টো করে দিলাম, তার পাছা আমার মুখের সামনে, আমার লিঙ্গ তার মুখে। আমি তার যোনি চাটতে লাগলাম, জিভ ঢুকিয়ে রস খাচ্ছি। সে চিৎকার করছে, “আরও গভীরে, চাট, চাট!”
তারপর আমি তার উপর উঠে গেলাম। লিঙ্গটা তার যোনির ঠোঁটে ঘষে ঘষে ঢুকিয়ে দিলাম। এক ধাক্কায় পুরোটা ঢুকে গেল। রুমানা চিৎকার করে উঠল, “আহহহ, ফাটিয়ে দিলি রে! জোরে চোদ, তোর বড় বারা দিয়ে আমার ভোদা ফাটিয়ে দে!” আমি জোরে জোরে ঠেলা দিচ্ছি। তার দুধ দুটো দুলছে, আমি চেপে ধরে চুষছি। ঘামে ভিজে গেছে দুজনেই। রং মাখা শরীরে লেগে আছে।
আমি তাকে কুকুরের মতো করে দাঁড় করালাম। পেছন থেকে ঢুকিয়ে চোদছি। তার পাছায় চাপড় মারছি, “কেমন লাগছে বhabi?” “ভালো লাগছে, আরও জোরে মার, তোর শালা বারা দিয়ে পাছাটাও চোদ!” আমি তার পায়ুপথে আঙুল ঢুকিয়ে দিলাম। সে আরও উত্তেজিত হয়ে গেল। “দুই জায়গায় একসাথে চোদ, আমি তোর রান্ডি!”
আমরা অনেকক্ষণ চোদাচুদি করলাম। বিভিন্ন পজিশনে। সে আমার উপর চড়ে বসে চোদাচ্ছে, তার যোনি আমার লিঙ্গকে চেপে ধরে আছে। তারপর আমি তার মুখে শেষ করলাম। সে সবটা গিলে ফেলল। “সিয়াম, তোর বীর্যটা খুব মজার।”
কিন্তু সেখানেই শেষ হয়নি। আবার শুরু হলো। এবার আমি তার পায়ুপথে ঢুকালাম। সে কাঁদতে কাঁদতে বলল, “আস্তে, পাছা ফাটবে!” কিন্তু জোরে চোদতে বলল। আমি তার চুল ধরে টেনে পেছন থেকে চোদছি। তার দুধ দুটো হাতে নিয়ে ম্যাসাজ করছি।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলল এই চোদাচুদি। রুমানা বারবার চরম সুখ পেল। তার যোনি থেকে রস বেরিয়ে আমার লিঙ্গ ভিজিয়ে দিল। শেষে আমরা দুজনে ক্লান্ত হয়ে পড়ে রইলাম। রং মাখা শরীরে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে রইলাম।
রুমানা বলল, “সিয়াম, এই হোলি আমার জীবনের সেরা হোলি। পরের বছর আবার এসো।” আমি হেসে বললাম, “অবশ্যই বhabi, তোমার এই মোটা ভোদা আর পাছা ছাড়া আর কোথায় যাব?”
এরপর থেকে প্রায়ই আমরা গোপনে মিলিত হই। হোলির সেই রং আর চোদার স্বাদ এখনো মনে আছে।