হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান। ঢাকার উত্তরায় থাকি, একটা ছোট ফ্ল্যাটে। বয়স ২৮, চাকরি করি একটা আইটি কোম্পানিতে। আজ তোমাদের বলব আমার জীবনের সবচেয়ে গরম, নোংরা আর লম্বা একটা চোদাচুদির গল্প। এটা শুরু হয়েছিল আমার পাশের ফ্ল্যাটের ভাবির সাথে। তার নাম রুমানা। বয়স ৩২, বিয়ের পরও শরীরটা যেন কুমারী মেয়ের মতো টাইট আর রসালো। তার স্বামী প্রায়ই বিদেশে থাকে, আর আমি একা একা থাকি।
প্রথম দিনটা মনে আছে, বৃষ্টির সন্ধ্যা। রুমানা দরজায় কড়া নাড়ল। “সিয়াম ভাই, লাইট গেছে, জেনারেটরের সুইচটা দেখে দিতে পারবেন?” তার গলা নরম, কিন্তু চোখে কিছু একটা ছিল। আমি গিয়ে দেখলাম, সে শুধু একটা পাতলা নাইটি পরে আছে। বুকের দুটো মোটা মাংসপিণ্ড নাইটির ভেতর থেকে যেন বেরিয়ে আসতে চাইছে। নিপল দুটো শক্ত হয়ে ফুলে আছে। আমার চোখ সেখানে আটকে গেল। সে হাসল, “কী দেখছেন? ভয় পাবেন না, আমি একা থাকি।”
আমি সুইচ ঠিক করে দিলাম। তারপর সে চা দিল। কথা বলতে বলতে তার হাত আমার উরুতে পড়ল। “সিয়াম, তোমার শরীরটা দেখে মনে হয় অনেক শক্ত।” আমি আর থাকতে পারলাম না। তার ঠোঁটে চুমু খেলাম। সে চিৎকার করে উঠল, “আহহ…

চুষো না, জোরে!” আমি তার নাইটি খুলে ফেললাম। তার দুধ দুটো বড়, গোলাপি নিপল আর চারপাশে কালো আভা। আমি একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম, আরেকটা হাত দিয়ে মাখতে লাগলাম। রুমানা চিৎকার করছিল, “সিয়াম, তোমার জিভ দিয়ে নিপলটা কামড়াও! আমার গুদটা ভিজে গেছে!”
আমি তার পায়ের ফাঁকে হাত ঢোকালাম। তার ভোদা পুরোপুরি কামে ভেজা। লোম কামানো, ঠোঁট দুটো ফোলা। আমি আঙুল ঢুকিয়ে ঘোরাতে লাগলাম। “রুমানা ভাবি, তোমার ভোদাটা কত টাইট! আমার আঙুলও সহজে ঢুকছে না।” সে আমার লিঙ্গ বের করে ধরল। “ওহ মাই গড, সিয়াম! তোমার বারা এত মোটা আর লম্বা! আমার স্বামীরটা তো এর অর্ধেকও না। চুষি?”
সে হাঁটু গেড়ে বসে আমার বারাটা মুখে নিল। জিভ দিয়ে মাথাটা চাটতে লাগল, তারপর পুরোটা গলার ভেতর ঢুকিয়ে চুষতে শুরু করল। “গ্লাক গ্লাক” শব্দ হচ্ছিল। আমার বারা তার মুখে পুরোপুরি ঢুকে যাচ্ছিল, লালা ঝরছিল তার বুকে। আমি তার চুল ধরে জোরে চালাচ্ছিলাম। “ভাবি, তোমার মুখের ভিতরটা গরম আর নরম! আরও গভীরে নাও!”
তারপর আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। তার পা দুটো ছড়িয়ে দিয়ে ভোদায় মুখ ঢুকিয়ে চাটতে লাগলাম। তার ক্লিটটা ফোলা, আমি জিভ দিয়ে ঘষতে লাগলাম আর আঙুল ঢুকিয়ে বারবার ঠেলছি। রুমানা পাগলের মতো চিৎকার করছিল, “সিয়াম! আমার ভোদা চাটো! তোমার জিভটা গরম! আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি!” তার ভোদা থেকে রস বেরিয়ে আমার মুখ ভিজিয়ে দিচ্ছিল। আমি তার দুধ চুষতে চুষতে আঙুল দিয়ে তার গুদ ফাটিয়ে দিচ্ছিলাম।
অবশেষে আমি তার উপর উঠে বারাটা তার ভোদার মুখে ঠেকালাম। “ভাবি, তোমার ভোদায় আমার মোটা বারা ঢুকবে? বলো!” সে কাতর গলায় বলল, “ঢোকাও সিয়াম! জোরে চোদো আমাকে! আমার ভোদা তোমার জন্যই অপেক্ষা করছিল!” আমি এক ঠেলায় পুরো বারা ঢুকিয়ে দিলাম। “আহহহ!” দুজনে একসাথে চিৎকার করলাম। তার ভোদা আমার বারাকে চেপে ধরছিল, গরম আর ভিজে। আমি জোরে জোরে ঠেলতে লাগলাম। “প্লপ প্লপ” শব্দ হচ্ছিল প্রতি ঠেলায়। তার দুধ দুলছিল, আমি সেগুলো চেপে ধরে চুষছিলাম।
আমরা পজিশন বদলালাম। সে উপরে উঠে বসল, আমার বারার উপর নাচতে লাগল। তার ভোদা আমার বারাকে পুরোপুরি গিলে নিচ্ছিল। “সিয়াম, তোমার বারা আমার গর্ভাশয়ে ঠেকছে! আরও জোরে!” আমি তার কোমর ধরে উপর থেকে ঠেলছিলাম। তারপর ডগি স্টাইলে নিলাম। তার পাছা চেপে ধরে বারা ঢুকিয়ে দিলাম। পাছার ফাঁক দিয়ে তার গুদ দেখা যাচ্ছিল, আমি আঙুল ঢুকিয়ে মারতে লাগলাম। রুমানা চিৎকার করছিল, “আমার পাছায় আঙুল দিয়ে চোদো! ভোদাও চোদো! আমি তোমার শালা!”
আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা চুদলাম। তার ভোদা থেকে রস ঝরছিল, বিছানা ভিজে গিয়েছিল। আমি তার মুখে বারা ঢুকিয়ে চুদছিলাম, তারপর আবার ভোদায়। শেষে আমি তার ভোদায় মাল ফেললাম। গরম বীর্য তার ভিতরে ঢুকছিল, সে কাঁপছিল। “সিয়াম, তোমার মাল আমার ভোদা ভরিয়ে দিল!”
তারপর থেকে প্রায় প্রতি রাতে আমরা চুদি। কখনো গাড়িতে, কখনো তার ফ্ল্যাটের বারান্দায়। রুমানা ভাবি এখন আমার নিজস্ব চোদার খেলনা। তার ভোদা, তার দুধ, তার মুখ—সব আমার। এই গল্পটা যদি তোমাদের ভালো লাগে, কমেন্ট করো। আরও নোংরা গল্প চাইলে বলো।