
হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান। ঢাকার উত্তরায় থাকি, বয়স ২৮। আমার বন্ধু হামিদের সাথে আমার পুরনো বন্ধুত্ব। সে আর তার স্ত্রী রুমানা একই বিল্ডিংয়ে থাকে আমার উপরের তলায়। রুমানা দেখতে অসম্ভব সুন্দরী, বয়স ২৫, ফর্সা গায়ের রং, বড় বড় স্তন আর গোলাপি ঠোঁট। তার শরীরটা এমন যে যে কেউ একবার দেখলে ভুলতে পারে না। হামিদ প্রায়ই অফিসের কাজে বাইরে যায়, আর আমি একা থাকি আমার ফ্ল্যাটে।
একদিন বিকেলে রুমানা আমার দরজায় কড়া নেড়ে এলো। সে পরনে ছিল হালকা সিল্কের নাইটি, যেটা তার বড় বড় স্তন দুটোকে চেপে ধরে রাখতে পারছিল না। তার স্তনের কালো বোঁটা দুটো হালকা ভাবে দেখা যাচ্ছিল নাইটির ভিতর দিয়ে। সে বলল, “সিয়াম ভাই, লোডশেডিংয়ে ফ্যান বন্ধ, একটু বসতে পারি? হামিদ অফিসে গেছে।” আমি তাকে ভিতরে ডেকে আনলাম। সে সোফায় বসে পা ছড়িয়ে বসল, নাইটিটা উপরে উঠে গেল, তার মোটা মোটা উরু আর ভেজা ভেজা চোদার ফাঁকটা হালকা দেখা যাচ্ছিল। আমার লাউড়া সঙ্গে সঙ্গে শক্ত হয়ে উঠল।
আমি তার পাশে বসলাম। কথা বলতে বলতে হঠাৎ তার হাত আমার উরুতে পড়ল। সে চোখে চোখ রেখে বলল, “সিয়াম, তোমার শরীরটা দেখে আমার শরীর গরম হয়ে যায়। হামিদ তো শুধু দ্রুত ঢুকিয়ে বের করে নেয়, কোনো মজা নেই।” আমি আর থাকতে পারলাম না। তার ঠোঁটে মুখ চেপে ধরলাম। জিভ দিয়ে তার মুখের ভিতর ঢুকিয়ে চুষতে লাগলাম। সে আওয়াজ করে বলল, “আহহ, চুষো আমার ঠোঁট, আরো জোরে!”
আমি তার নাইটি খুলে ফেললাম। তার দুই স্তন বেরিয়ে পড়ল, গোলাপি বোঁটা শক্ত হয়ে আছে। আমি একটা স্তন মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম, আরেকটা হাত দিয়ে মাখতে লাগলাম। রুমানা চিৎকার করে বলল, “সিয়াম, তোমার মুখে আমার স্তন চুষে খাও, আরো জোরে কামড়াও!” তার স্তন থেকে হালকা দুধের গন্ধ বেরোচ্ছিল। আমি তার পেটে চুমু খেতে খেতে নিচে নামলাম। তার চোদার ফাঁকটা পুরোপুরি টাক, গোলাপি আর ভেজা। আমি তার ক্লিটরিস চাটতে লাগলাম। জিভ ঢুকিয়ে তার ভিতর চাটছি, সে পা দুটো ছড়িয়ে আমার মাথা চেপে ধরেছে। “আহহ সিয়াম, তোমার জিভ দিয়ে আমার চোদ চাটো, আরো গভীরে ঢোকাও! আমি তোমার মুখে চুদে ফেলব!” সে কাঁপতে কাঁপতে প্রথমবার ঝরে গেল, তার গরম রস আমার মুখে ছড়িয়ে পড়ল।
আমি উঠে আমার প্যান্ট খুলে ফেললাম। আমার ৮ ইঞ্চি লাউড়া শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে, মাথায় প্রিমের রস ঝরছে। রুমানা হাঁটু গেড়ে বসে আমার লাউড়া মুখে নিল। তার গরম মুখের ভিতর লাউড়া ঢুকিয়ে সে চুষতে লাগল। “উমম, তোমার বড় লাউড়া আমার গলায় ঢুকছে, আরো জোরে চোদো আমার মুখ!” আমি তার মাথা ধরে তার মুখে চোদা শুরু করলাম। তার লালা আর আমার প্রিম মিলিয়ে তার ঠোঁট ভিজে যাচ্ছে। সে গলা দিয়ে আওয়াজ করছে, “গল্প গল্প করে চোদো!”
তারপর আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। তার পা দুটো কাঁধে তুলে নিয়ে আমার লাউড়া তার ভেজা চোদে ঢুকিয়ে দিলাম। “আহহহ, পুরোটা ঢোকাও সিয়াম! তোমার মোটা লাউড়া আমার চোদ ফাটিয়ে দাও!” আমি জোরে জোরে চোদা শুরু করলাম। তার স্তন দুটো লাফাচ্ছে, আমি চেপে ধরে চুষছি। প্রত্যেক থাপ্পড়ে তার শরীর কাঁপছে, “চোদো আমাকে, বন্ধুর বউকে চোদো! আমি তোমার চোদার গোলাম!” আমি তার চোদ থেকে লাউড়া বের করে আবার ঢুকাচ্ছি, তার রস বেরিয়ে আমার লাউড়া ভিজিয়ে দিচ্ছে।
আমরা পজিশন বদলালাম। সে উপরে উঠে আমার লাউড়ায় বসে চোদাচ্ছে। তার নিতম্ব নিচে উঠছে নামছে, “আহ আহ, তোমার লাউড়া আমার গর্ভে ঢুকছে!” আমি তার কোমর ধরে জোরে উপরে ঠেলছি। তার দ্বিতীয়বার ঝরে গেল, গরম রস আমার লাউড়ায় লেগে গেল। তারপর আমি তাকে কুকুরের মতো করে পিছন থেকে চোদা শুরু করলাম। তার পাছায় থাপ্পড় মারছি, “তোর পাছা লাল করে দিব!” সে বলছে, “মারো আরো জোরে, আমার চোদ আর পাছা দুটোই তোমার!”
আমরা প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চোদাচুদি করলাম। শেষে আমি তার মুখে লাউড়া ঢুকিয়ে শুক্র ঝরিয়ে দিলাম। সে সব গিলে নিল। “তোমার বীর্য আমার পেটে নিলাম।”
এরপর থেকে যখনই হামিদ বাইরে যায়, রুমানা আমার ফ্ল্যাটে আসে। আমরা বাথরুমে, রান্নাঘরে, এমনকি বারান্দায় চোদাচুদি করি। তার শরীরের প্রতিটা অংশ আমি চুষি, চাটি, চোদি। সে বলে, “তুমি আমার আসল স্বামী, হামিদ শুধু নামের।”
এইভাবে আমাদের গোপন সম্পর্ক চলছে। প্রতিবার নতুন নতুন পজিশনে, নতুন নতুন ময়লা কথা বলে আমরা চোদাচুদি করি। রুমানার শরীর এখন আমার জন্যই গরম হয়ে থাকে।