হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান। ঢাকার উত্তরায় থাকি, বয়স ২৭। আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু রাহুলের বোন রুমানা। রুমানার বয়স ২৩, মাঝারি উচ্চতা, সাদা মসৃণ চামড়া, বড় বড় দুধ আর গোলাপি চোদনের মতো ঠোঁট। রাহুলের সাথে আমি প্রায়ই তার বাসায় যাই। একদিন বৃষ্টির রাতে রাহুল বেরিয়ে গেল, আমি আর রুমানা একা হয়ে গেলাম। আমি তার দিকে তাকিয়ে দেখলাম সে শুধু একটা পাতলা নাইটি পরে আছে, নিচে কোনো ব্রা নেই, তার বড় বড় স্তন দুটো নাইটির ভেতর দিয়ে ফুলে ফুলে উঠছে। আমার ল্যাংটা খাড়া হয়ে গেল।
“রুমানা, তুই একা?” আমি জিজ্ঞাসা করলাম। সে হাসল, “হ্যাঁ ভাইয়া, ভাই তো বেরিয়ে গেছে। তুমি বসো।” আমি তার পাশে বসলাম। তার শরীরের গন্ধ আমাকে পাগল করে দিল। আমি তার কোমরে হাত রাখলাম। সে কিছু বলল না। আমি আরো সাহস করে তার একটা স্তন চেপে ধরলাম। “আহহ…

সিয়াম ভাইয়া, কী করছ?” সে শ্বাস নিয়ে বলল। “তোর এই মোটা দুধ দুটো চুষতে ইচ্ছে করছে রুমানা।” আমি তার নাইটি খুলে ফেললাম। তার দুধ দুটো বেরিয়ে পড়ল, গোলাপি বোঁটা শক্ত হয়ে আছে। আমি একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম, জিভ দিয়ে বোঁটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চাটলাম। রুমানা “উফফ… চোদো না ভাইয়া, জোরে চুষো” বলে চিৎকার করে উঠল।
আমি তার আরেকটা দুধ চুষতে চুষতে তার প্যান্টির ভেতর হাত ঢুকিয়ে দিলাম। তার চোদন পুরোপুরি ভিজে গেছে। আঙুল দিয়ে তার ক্লিটরিস ঘষতে লাগলাম। “রুমানা, তোর চোদনটা কত ভেজা রে! আমার ল্যাংটায় এত জোরে মারছে যে আর থাকতে পারছি না।” সে আমার জিপার খুলে আমার ৮ ইঞ্চি মোটা ল্যাংটা বের করে নিয়ে বলল, “আহ, এত বড়! আমার মুখে দাও।” সে হাঁটু গেড়ে বসে আমার ল্যাংটার মাথা চুষতে লাগল। তার গরম মুখের ভেতর ল্যাংটা ঢুকিয়ে আমি তার মাথা চেপে ধরে জোরে জোরে চোদতে লাগলাম। “গিলে নে রুমানা, তোর গলার ভেতর পর্যন্ত ঢুকিয়ে চোদব।” তার লালা আর আমার প্রাক-কামের মিশ্রণ তার ঠোঁট বেয়ে গড়িয়ে পড়ছিল।
আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে তার পা দুটো ছড়িয়ে দিলাম। তার চোদনটা গোলাপি, কামের রসে চকচক করছে। আমি জিভ দিয়ে তার চোদন চাটতে লাগলাম, ক্লিটরিস চুষে চুষে তার রস বের করে আনলাম। রুমানা “আহহহ… সিয়াম, তোর জিভ দিয়ে আরো গভীরে ঢোকাও, চোদন চাটো” বলে তার কোমর উঁচু করে দিল। আমি তার চোদনে দুই আঙুল ঢুকিয়ে আঙুল দিয়ে চোদতে লাগলাম আর জিভ দিয়ে ক্লিট ঘষলাম। সে তিনবার জোরে জোরে চিৎকার করে ঝরে গেল, তার রস আমার মুখে ছিটকে পড়ল।
তারপর আমি তার উপর উঠে আমার ল্যাংটা তার চোদনে ঢুকিয়ে দিলাম। “আরে বাবা, এত মোটা! ধীরে ঢোকাও” সে কাঁপতে কাঁপতে বলল। আমি একটু একটু করে পুরো ল্যাংটা তার ভেজা চোদনে ঢুকিয়ে জোরে জোরে চোদতে লাগলাম। “কেমন লাগছে রুমানা? তোর বন্ধুর ল্যাংটায় তোর চোদন ফাটছে?” “ভালো লাগছে ভাইয়া, জোরে চোদো, আমার দুধ চেপে ধরো!” আমি তার দুধ দুটো চেপে ধরে জোরে জোরে থাপ্পড় মেরে মেরে চোদতে লাগলাম। তার চোদন থেকে “ফচ ফচ” শব্দ হচ্ছিল। আমি তাকে কুকুরের মতো করে পেছন ফিরিয়ে চোদলাম, তার পাছায় থাপ্পড় মারতে মারতে ল্যাংটা ঢুকিয়ে ঢুকিয়ে চোদলাম। রুমানা “আরো জোরে মারো, আমার পাছা লাল করে দাও” বলে চিৎকার করছিল।
আমি তাকে আবার শুইয়ে তার পা কাঁধে তুলে নিয়ে গভীরভাবে চোদতে লাগলাম। তার চোদনের ভেতর আমার ল্যাংটা পুরোপুরি ঢুকে যাচ্ছিল। আমি তার গালে থুথু ফেলে চুমু খেলাম, তার জিভ চুষলাম। “রুমানা, তোর চোদনটা আমার ল্যাংটার জন্য তৈরি। আমি তোকে প্রায়ই চোদব।” সে বলল, “হ্যাঁ ভাইয়া, যখন খুশি চোদো, আমার চোদন তোমার।” আমি তার ক্লিট ঘষতে ঘষতে জোরে চোদতে লাগলাম। রুমানা আবার ঝরে গেল, তার রস আমার ল্যাংটার গোড়ায় গড়িয়ে পড়ল।
আমি শেষ পর্যন্ত তার চোদনের ভেতরই ঝরে গেলাম, গরম গরম বীর্য তার ভেতর ভরে দিলাম। তারপর আমি তার চোদন থেকে বীর্য বের করে আঙুল দিয়ে তুলে তার মুখে দিলাম। সে চেটে খেল। আমরা আবার শুরু করলাম। এবার সে উপরে উঠে আমার ল্যাংটায় চেপে বসে চোদতে লাগল। তার দুধ দুলতে দুলতে সে আমার ল্যাংটা চোদছিল। আমি তার পাছা চেপে ধরে উপর থেকে থাপ্পড় মারছিলাম। এভাবে রাতভর আমরা চোদাচুদি করলাম। সকালে রাহুল ফিরলে আমরা স্বাভাবিক হয়ে গেলাম, কিন্তু পরের দিন থেকে প্রায়ই আমি রুমানাকে চোদতে লাগলাম।
(গল্পটি এখানে শেষ, কিন্তু আমাদের চোদাচুদির গল্প চলতেই থাকবে।)