
হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান, ঢাকার উত্তরায় থাকি। বয়স ২৮, একটা ছোট আইটি জব করি। আমার বাসা উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরের একটা অ্যাপার্টমেন্টে। পাশের ফ্ল্যাটে থাকে সবিতা ভাবী। সবিতা ভাবী মানে সত্যি সত্যি সেই কমিকের মতো গরম মাল, ৩৪ বছর বয়স, কিন্তু শরীরটা এমন যে দেখলেই লাগে। তার স্বামী প্রায়ই বিদেশে থাকে, আর সে একা একা থাকে। আমি প্রায়ই তার সাথে হ্যালো হাই করতাম, কিন্তু একদিন রাতে সব বদলে গেল।
সেদিন বৃষ্টি হচ্ছিল প্রচণ্ড। আমি অফিস থেকে ফিরে গোসল করে টিভি দেখছি। হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। খুলে দেখি সবিতা ভাবী, ভিজে যাওয়া শাড়ি পরে, চুল এলোমেলো। “সিয়াম, লাইট চলে গেছে আমার ফ্ল্যাটে, তোমার কাছে কোনো হেল্প আছে?” তার গলা নরম, কিন্তু চোখে কিছু একটা চাওয়ার ভাব। আমি তাকে ভিতরে ডাকলাম। তার শাড়ির ভেতর দিয়ে বড় বড় স্তন দুটো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, নিপল দুটো শক্ত হয়ে উঠেছে ঠান্ডায়। পাছাটা মোটা, শাড়ির কাপড় গুঁজে আছে তার নিতম্বের ফাঁকে। আমার ল্যাংটা লাঠি তখনই টাটিয়ে উঠল।
ভাবী বসল সোফায়। আমি পাশে বসে জিজ্ঞাসা করলাম, “ভাবী, একা একা কেমন লাগে?” সে হাসল, “তোমার মতো যুবক পাশে থাকলে একা লাগে কী করে?” তার হাত আমার উরুতে পড়ল। আমি আর থাকতে পারলাম না। “ভাবী, তোমার এই মোটা দুধ দুটো আমি চুষতে চাই,” বলেই তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিলাম। তার স্তন দুটো বেরিয়ে এল, কালো বড় বড় নিপল, চারপাশে গাঢ় বাদামি আভা। আমি মুখ নিয়ে চুষতে শুরু করলাম, জিভ দিয়ে চাটতে লাগলাম, লালা ঝরিয়ে ভিজিয়ে দিলাম। ভাবী চিৎকার করে উঠল, “আহহ সিয়াম, আরো জোরে চুষ, তোর মুখে আমার বোবা দুটো পুরে দে!”
আমি তার শাড়ি খুলে ফেললাম। নিচে কোনো প্যান্টি নেই, পুরো পাছা ন্যাংটা, চুল কামানো, গুদটা গোলাপি, ঠোঁট দুটো মোটা, ভেতর থেকে রস ঝরছে। আমি দুই আঙুল ঢুকিয়ে আঙুল দিয়ে চোদতে শুরু করলাম, তার ক্লিট চেপে ধরে ঘষতে লাগলাম। ভাবী কাঁপতে লাগল, “উফফফ, সিয়ামের আঙুলে আমার গুদ গলে যাচ্ছে, আরো গভীরে ঢোকা, বাবা!” আমি তিনটা আঙুল ঢুকিয়ে জোরে জোরে আঙুল চালালাম, তার রস আমার হাত ভিজিয়ে দিল। তারপর মুখ নামিয়ে তার গুদ চাটতে শুরু করলাম, জিভ ঢুকিয়ে ভেতরে ঢোকাতে লাগলাম, তার রসের স্বাদ নিলাম। ভাবী আমার মাথা চেপে ধরে চিৎকার করল, “চোদ, আমার গুদ চাট, আমি তোর মুখে মাল ফেলব!”
আমি উঠে আমার প্যান্ট খুলে ফেললাম। আমার ল্যাংটা বাড়া, ৭ ইঞ্চি লম্বা, মোটা শিরা দিয়ে ভরা, মাথায় প্রি-কাম ঝরছে। ভাবী দেখে চোখ বড় বড় করে বলল, “আরে বাবা, এত বড় বাড়া! আমার স্বামীরটা তো এর অর্ধেক। চোদ আমাকে এই বাড়া দিয়ে!” আমি তার মুখের কাছে নিয়ে গেলাম। সে জিভ দিয়ে চাটতে লাগল, তারপর মুখে পুরে চুষতে শুরু করল। তার গরম মুখ, জিভের চাপ, আমি পাগল হয়ে গেলাম। “ভাবী, আরো গভীরে নাও, তোর গলায় আমার বাড়া ঢোকাও!” সে গলা পর্যন্ত নিয়ে চুষল, লালা ঝরিয়ে আমার বাড়া ভিজিয়ে দিল। আমি তার চুল ধরে মুখে চোদতে লাগলাম।
তারপর আমি তাকে শুয়ে দিয়ে তার পা দুটো ছড়িয়ে দিলাম। আমার বাড়ার মাথা তার গুদের ঠোঁটে ঘষতে লাগলাম। “ভাবী, বলো, চোদো আমাকে!” সে চিৎকার করে বলল, “চোদ সিয়াম, তোর বড় বাড়া দিয়ে আমার গুদ ফাটিয়ে দে!” আমি এক ঠেলায় পুরো বাড়া ঢুকিয়ে দিলাম। তার গুদ টাইট, গরম, রসে ভরা। আমি জোরে জোরে চোদতে লাগলাম, তার স্তন দুটো হাতে নিয়ে চেপে ধরে, নিপল চিমটি কাটতে লাগলাম। প্রত্যেক থাপ্পায় তার গুদ থেকে “পাচ পাচ” শব্দ বেরোচ্ছিল, রস ছিটকে আমার পেটে লাগছিল। ভাবী চিৎকার করছিল, “আরো জোরে চোদ, আমার গুদের ভেতর তোর বাড়া ঘষে দে, আমি মরে যাচ্ছি!”
আমি তাকে উল্টো করে শুয়ে দিয়ে পিছন থেকে চোদতে লাগলাম। তার মোটা পাছা দুটো হাতে চেপে ধরে, তার গুদে বাড়া ঢুকিয়ে জোরে থাপ্পড় মারতে লাগলাম। তার পাছায় লাল দাগ পড়ে গেল। “ভাবী, তোর এই মোটা পাছা আমি মারব!” সে বলল, “মার, আমার পাছা মার, গুদ চোদ!” আমি তার চুল ধরে মাথা তুলে, তার কানে বললাম, “তোর গুদ আমার, সবিতা, আমি তোকে প্রতিদিন চোদব।” সে পাগলের মতো কাঁপছিল।
আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা চোদাচুদি করলাম। একবার সে উপরে উঠে আমার বাড়ায় বসে চোদতে লাগল, তার স্তন দুলছে, আমি নিচ থেকে থাপ্পড় মারছি। আরেকবার আমি তাকে দাঁড় করিয়ে দেওয়ালে ঠেকিয়ে চোদলাম, তার একটা পা তুলে ধরে। তার রস আমার পায়ে গড়িয়ে পড়ছিল। শেষে আমি তার মুখে মাল ফেললাম, সে সব চেটে খেল। তারপর আমরা জড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।
পরের দিন থেকে প্রায় প্রতি রাতে এরকম চোদাচুদি চলছে। সবিতা ভাবী এখন আমার নিজের ব্যক্তিগত চোদার মাল। তার গুদ, তার দুধ, তার পাছা সব আমার। বন্ধুরা, এই ছিল আমার সবিতা ভাবীর সাথে প্রথম রাতের গল্প। আরো চাইলে বলব, কারণ এখনো অনেক কিছু বাকি।