হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান। ঢাকার উত্তরায় থাকি, একটা ছোট ফ্ল্যাটে। বয়স তেইশ, ইউনিভার্সিটি পড়ি আর পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং করি। আমার বাসায় একটা বড় সমস্যা ছিল—আমার বড় ভাই বিয়ের পর সপরিবারে চলে গেছে, আর আমি একা থাকি। পাশের ফ্ল্যাটে থাকে রুমানা বhabi। বয়স তার আটাশ, চেহারা দারুণ সুন্দরী, ফর্সা গায়ের রং, মোটা মোটা ঠোঁট, আর শরীরটা যেন কোনো পর্নস্টারের মতো। তার স্তন দুটো বিশাল, প্রায় ৩৬ ডি সাইজের, নিচে ঝুলে পড়ে না, মাংসল আর শক্ত। কোমরটা সরু, কিন্তু পাছা দুটো এত মোটা যে চলার সময় দুলে দুলে যায়। তার স্বামী প্রায়ই বাইরে থাকে বিজনেসে, তাই সে প্রায়ই আমার ফ্ল্যাটে আসতো গল্প করতে।
একদিন সন্ধ্যায় বৃষ্টি হচ্ছিল প্রচণ্ড। রুমানা বhabi দরজায় নক করল। পরনে শুধু একটা পাতলা নাইটি, যেটা ভিজে তার শরীরের সব কার্ভ দেখা যাচ্ছিল। স্তনের কালো বোঁটা দুটো স্পষ্ট ফুটে উঠেছে, আর নিচে তার পাছার মাংসল ভাঁজটা দেখে আমার লিঙ্গটা সাথে সাথে শক্ত হয়ে গেল। “সিয়াম, লাইট চলে গেছে আমার ফ্ল্যাটে, তোমার এখানে বসতে পারি?” সে জিজ্ঞাসা করল। আমি দরজা খুলে দিলাম। ভিতরে ঢুকেই সে ভিজে নাইটিটা খুলে ফেলল, শুধু একটা ছোট প্যান্টি পরে ছিল। “এত গরম লাগছে, ভিজে কাপড়ে থাকতে পারছি না,” বলে সে সোফায় বসল। আমি তার দিকে তাকিয়ে থাকতে পারছিলাম না। তার স্তন দুটো খালি, বড় বড়, কালো বোঁটায় জলের ফোঁটা ঝুলছে।
আমি তার পাশে বসলাম। “বhabi, তোমার শরীরটা দেখে আমার কিছু হচ্ছে,” বললাম সরাসরি। সে হাসল, “কী হচ্ছে বল তো?” আমি তার হাত ধরে আমার শক্ত লিঙ্গের ওপর রাখলাম। “এই, তোমার জন্য এত শক্ত হয়ে গেছে।” রুমানা বhabi আমার লিঙ্গটা চেপে ধরল, তার আঙুল দিয়ে মাথাটা ঘষতে লাগল। “ওহ সিয়াম, তোর বাড়া তো অনেক মোটা আর লম্বা, প্রায় নয় ইঞ্চি। আমার স্বামীরটা এত বড় না। চোদ না আমাকে আজ।” সে আমার প্যান্ট খুলে ফেলল, আর আমার লিঙ্গটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। তার জিভ দিয়ে লিঙ্গের নিচের শিরা ঘষছে, লালা ঝরছে, আর সে গলা পর্যন্ত নিচ্ছে। “উম্ম…

তোর বাড়ার স্বাদ খুব ভালো, লবণাক্ত আর গরম,” বলে সে চুষতে চুষতে বলল।
আমি তার মাথা চেপে ধরে তার মুখে চোদতে লাগলাম। “বhabi, তোর মুখের ভিতরটা এত আঁটোসাঁটো, চোদার মজা পাচ্ছি।” তার লালা আমার লিঙ্গ ভিজিয়ে দিচ্ছে, আর সে চোখ বন্ধ করে চুষছে। তারপর সে উঠে দাঁড়াল, প্যান্টিটা খুলে ফেলল। তার যোনিটা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল—লোম কামানো, ঠোঁট দুটো মোটা, ভিতর থেকে রস ঝরছে। আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে তার যোনিতে মুখ দিয়ে চাটতে শুরু করলাম। জিভ দিয়ে ক্লিটোরিস ঘষছি, তার রস চুষে খাচ্ছি। “আহহ… সিয়াম, তোর জিভ দিয়ে আমার ভোদা চাট, আরও গভীরে ঢোকা,” সে চিৎকার করে বলল। তার যোনি থেকে মিষ্টি রস বেরোচ্ছে, আমি সব চেটে খাচ্ছি। তার স্তন দুটো চেপে ধরে বোঁটা টিপছি, আর সে কাঁপছে।
এরপর আমি তার ওপর উঠে আমার লিঙ্গটা তার যোনির মুখে রাখলাম। “বhabi, তোর ভোদায় আমার বাড়া ঢোকাচ্ছি, খুব জোরে চোদব।” সে পা দুটো ফাঁক করে বলল, “ঢোকা, আমার ভোদা তোর জন্যই অপেক্ষা করছে।” আমি এক ধাক্কায় পুরো লিঙ্গটা ঢুকিয়ে দিলাম। তার যোনি আঁটো, গরম আর ভিজে। “আহহহ… তোর বাড়া আমার ভোদা ফাটিয়ে দিচ্ছে, আরও জোরে চোদ!” সে চিৎকার করল। আমি জোরে জোরে ঠেলা দিতে লাগলাম, তার স্তন দুটো দুলছে, আর তার পাছার মাংসল অংশ আমার হাতে চেপে ধরে টানছি। প্রত্যেক ঠেলায় তার যোনি থেকে “পচ পচ” শব্দ হচ্ছে, রস বেরিয়ে আমার লিঙ্গ ভিজিয়ে দিচ্ছে।
আমি তাকে কুকুরের মতো করে ঘুরিয়ে দিয়ে পেছন থেকে চোদতে লাগলাম। তার পাছা দুটো চেপে ধরে লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিচ্ছি, আর তার চুল ধরে টানছি। “বhabi, তোর পাছা দেখে আমার বাড়া আরও শক্ত হচ্ছে, তোর ভোদা চোদার মজা নিচ্ছি।” সে পেছন ফিরে বলল, “হ্যাঁ সিয়াম, আমার ভোদা তোর বাড়ায় ভরে দে, আমাকে তোর রান্ডি বানিয়ে চোদ।” আমি তার গুদেও আঙুল ঢুকিয়ে দিলাম, আর সে আরও জোরে চিৎকার করল। তারপর সে উল্টে আমার ওপর চেপে বসল, তার যোনি দিয়ে আমার লিঙ্গটা পুরোপুরি নিয়ে উপর নিচ করতে লাগল। তার স্তন দুটো আমার মুখে, আমি চুষছি, আর সে চোদার গতি বাড়াচ্ছে। “আমি আসছি… আহহহ!” সে চিৎকার করে তার যোনির রস আমার লিঙ্গের ওপর ঝরিয়ে দিল।
আমি তাকে আবার শুইয়ে দিয়ে তার মুখে লিঙ্গ ঢুকিয়ে চোদতে লাগলাম, তারপর তার স্তনের ফাঁকে রেখে মাল ফেললাম। তার স্তন দুটো সাদা বীর্যে ভরে গেল। রুমানা বhabi সব চেটে খেয়ে বলল, “আরও চোদ, রাতভর।” আমরা সারারাত চোদাচুদি করলাম—বিভিন্ন পজিশনে, তার যোনি, মুখ, স্তন সব ব্যবহার করে। তার রস, আমার বীর্য মিলিয়ে বিছানা ভিজে গেল। সকালে সে বলল, “এটা আমাদের সিক্রেট থাকবে, কিন্তু প্রায়ই আসব।”
(গল্পের শেষ, কিন্তু আমাদের এই নোংরা সম্পর্ক চলতে থাকবে।)