
হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান। বয়স ২৪, ঢাকার উত্তরায় থাকি। আমার বাবা-মা দুজনেই চাকরি করেন, তাই বাড়িতে প্রায়ই একা থাকতে হয়। কিন্তু গত বছরের শেষের দিকে মামি এসে উঠলেন আমাদের বাড়িতে। মামি নাম রুমানা, বয়স ৩৮, কিন্তু দেখলে মনে হয় ৩০-এর নিচে। ফর্সা গায়ের রং, বড় বড় দুধের মতো স্তন, চওড়া নিতম্ব আর মোটা ঠোঁট। মামা বিদেশে থাকেন, তাই মামি একা একা বোর হয়ে আমাদের বাড়িতে এসে থাকতে শুরু করলেন। প্রথম প্রথম স্বাভাবিকভাবেই কথা বলতাম, কিন্তু তার শরীরের দিকে চোখ যেতই। বিশেষ করে যখন তিনি রাতে পাতলা নাইটি পরে ঘুরতেন, তার স্তনের ফাঁক আর পাছার দোলা দেখে আমার লাড়া শক্ত হয়ে যেত।
একদিন বৃষ্টির রাতে সবাই বাইরে গিয়েছিল, শুধু আমি আর মামি বাড়িতে। আমি লিভিং রুমে বসে মোবাইলে চোদার ভিডিও দেখছিলাম। হঠাৎ মামি পেছন থেকে এসে দাঁড়ালেন। “কী দেখছিস সিয়াম?” তার গলা নরম, কিন্তু চোখে একটা চকচকে ভাব। আমি তাড়াতাড়ি মোবাইল লুকোতে গেলাম, কিন্তু তিনি হাসতে হাসতে বললেন, “লুকোচ্ছিস কেন? আমিও তো জানি ছেলেরা কী দেখে।” তারপর তিনি আমার পাশে বসে পড়লেন। তার গায়ের গন্ধ, সাবান আর পারফিউমের মিশ্রণ, আমাকে পাগল করে দিল। আমি সাহস করে বললাম, “মামি, আপনার শরীর দেখে আমার কিছু হয়।” তিনি চুপ করে রইলেন কিছুক্ষণ, তারপর হাত বাড়িয়ে আমার লাড়ায় হাত রাখলেন। “ওহ, এত শক্ত? মামির জন্য?”
সেই রাত থেকে শুরু হলো আসল খেলা। মামি আমার হাত ধরে নিয়ে গেলেন তার ঘরে। দরজা বন্ধ করে তিনি নাইটি খুলে ফেললেন। তার দুধ দুটো ঝুলে পড়ল, কালো কালো বোঁটা শক্ত হয়ে আছে। “চুষে খা সিয়াম, মামির দুধ চুষে খা।” আমি লাফিয়ে পড়লাম, একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করলাম। দুধ থেকে হালকা দুধের গন্ধ বেরোচ্ছিল, জিভ দিয়ে বোঁটা কামড়ে টানছি। মামি আঃ আঃ করে চিৎকার করছেন। তারপর আমি নিচে নামলাম, তার প্যান্টি খুলে দিলাম। তার গুদটা পুরোপুরি কামা, ঘন কালো চুলে ঢাকা, ঠোঁট দুটো মোটা আর ভেজা। আমি জিভ দিয়ে চাটতে শুরু করলাম। “আরে সিয়াম, মামির গুদ চাট, ভালো করে চাট, তোর জিভ দিয়ে ফুটোতে ঢোকা।” তার রস বেরোচ্ছে, আমি চাটছি, গিলছি। মামি আমার মাথা চেপে ধরে তার গুদে ঘষছে।
তারপর মামি আমার প্যান্ট খুলে দিলেন। আমার ৭ ইঞ্চি লাড়া বেরিয়ে পড়ল। “বাবা রে, এত বড় লাড়া! মামি আজ পুরো গুদে নেব।” তিনি হাঁটু গেড়ে বসে আমার লাড়া মুখে নিলেন। চুষতে শুরু করলেন জোরে জোরে। “ছক ছক” শব্দ হচ্ছে, তার লালা গড়িয়ে পড়ছে। আমি তার চুল ধরে তার মুখে চোদছি। “মামি, আরও গভীরে নাও, গলা পর্যন্ত।” মামি চোখে জল নিয়ে চুষছেন, তার গলা দিয়ে আমার লাড়া ঢুকছে। তারপর তিনি শুয়ে পড়লেন, পা দুটো ফাঁক করে। “এবার ঢোকা সিয়াম, মামির গুদ ফাটিয়ে দে।” আমি তার উপর উঠে লাড়া গুদে ঢুকিয়ে দিলাম। “আঃ, এত মোটা! ধীরে ধীরে ঢোকা।” কিন্তু আমি জোরে জোরে ঠেলা দিতে লাগলাম। তার গুদটা গরম আর টাইট, আমার লাড়া পুরোটা ঢুকে যাচ্ছে। “ফোপ ফোপ” শব্দে চোদছি, তার দুধ দুটো দুলছে। মামি চিৎকার করছেন, “হ্যাঁ সিয়াম, মামিকে চোদ, গুদের ভিতরে ঠেলা মার, মামি তোর বাঁড়ের দাসী।”
আমরা পজিশন বদলালাম। মামি উপরে উঠে বসলেন, তার পাছা দিয়ে আমার লাড়া গুদে নিচ্ছে। তার পাছার মাংস দুলছে, আমি তার কোমর ধরে সাহায্য করছি। “আরো জোরে লাফা মামি, তোর গুদ ফাটিয়ে দিব।” তারপর ডগি স্টাইলে। মামি হাঁটু গেড়ে, পাছা তুলে দিলেন। আমি পেছন থেকে ঢুকিয়ে চোদছি, তার পাছার গর্তটা দেখে আমার আরও লাগছে। “মামির পাছাও চোদবি?” তিনি বললেন। আমি আঙুল দিয়ে তার পাছার ফুটোতে ঢুকিয়ে দিলাম। তারপর লাড়া বের করে পাছায় ঢোকাতে চাইলাম। “আঃ, পাছা ফাটছে!” কিন্তু তিনি সহ্য করে নিলেন। আমি তার পাছায় চোদছি, এক হাতে তার গুদ আঙুল দিয়ে চোদছি।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলল। আমি তার গুদে, মুখে, পাছায় বারবার ঢুকিয়ে চোদলাম। তার শরীর থেকে ঘাম ঝরছে, আমার লাড়া থেকে বীর্য আর তার রস মিলে বিছানা ভিজে গেছে। মামি অর্গাজম করে কাঁপছেন, “আমি মরে যাচ্ছি সিয়াম, আরো চোদ!” শেষে আমি তার গুদের ভিতরে বীর্য ঢেলে দিলাম। গরম গরম বীর্য তার গুদ ভরে গেল, বেরিয়ে আসছে। মামি আঙুল দিয়ে তুলে চাটলেন।
এরপর থেকে প্রায় প্রতি রাতে আমরা চুদি। কখনো গাড়িতে, কখনো রান্নাঘরে, কখনো বাথরুমে। মামি আমাকে শিখিয়ে দিলেন কীভাবে মেয়েদের সন্তুষ্ট করতে হয়। তার গুদের রস, তার দুধের স্বাদ, তার চিৎকার সব আমার মাথায় ঘুরছে। এখনো যখন একা হই, মামির কথা ভেবে হাত মারি। বন্ধুরা, এই ছিল আমার মামির সাথে প্রথম চোদার গল্প। যদি আরো ডিটেইল চাও, কমেন্ট করো।