হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান। ঢাকার উত্তরায় আমাদের ছোট ফ্ল্যাটে থাকি। বয়স ২২, ইউনিভার্সিটিতে পড়ি। আমার মা রুমানা, ৩৮ বছরের একদম গরম মাল, ফর্সা চামড়া, ৩৬ ডি সাইজের ভারী স্তন দুটো যেন সবসময় জামার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসতে চায়, কোমরটা সরু কিন্তু পাছা মোটা আর গোলগাল। বাবা বিদেশে থাকে, তাই আমরা দুজন একা।
একদিন বৃষ্টির সন্ধ্যায় মা ঘরে ঢুকলেন ভিজে শাড়ি পরে। শাড়ির কাপড় শরীরে লেপটে আছে, ব্লাউজের ভেতর থেকে তার কালো ব্রার আঁজলা দেখা যাচ্ছে। আমি সোফায় বসে ছিলাম, লাঠি টাইট হয়ে গেছে দেখে মা চোখ বুলিয়ে বললেন, “সিয়াম, তুই কি দেখছিস? মা’র শরীরে এভাবে চোখ বুলাস না।” কিন্তু তার চোখে একটা আগুন ছিল। আমি উঠে গিয়ে তার পিছনে গিয়ে জড়িয়ে ধরলাম, “মা, তোমার এই ভেজা শরীর দেখে আর থাকতে পারছি না। তোমার বড় বড় দুধ দুটো চুষতে ইচ্ছে করছে।” মা প্রথমে ধাক্কা দিতে গেলেন, কিন্তু আমার হাত তার স্তনের নিচে চলে গেল, আমি চেপে ধরলাম। নরম, ভারী, আর গরম। মা শ্বাস নিয়ে বললেন, “সিয়াম, এটা ঠিক না…

কিন্তু…”
আমি তার শাড়ি খুলে ফেললাম, পেটিকোটের নিচে তার প্যান্টি ভিজে আছে। হাত ঢুকিয়ে তার গুদের ওপর চাপ দিলাম, “মা, তোমার ফাঁকা গুদটা কতটা ভিজে গেছে দেখো।” মা কাঁপতে লাগলেন, “বাবা রে, তোর হাতের ছোঁয়ায় মায়ের শরীর জ্বলে যাচ্ছে। চোদ না, তোর মায়ের এই মোটা পাছা আর গরম ভোদাটা ফাটিয়ে দে।” আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে তার ব্লাউজ খুলে দিলাম। দুধ দুটো বেরিয়ে পড়ল, কালো বড় বড় বোটা শক্ত হয়ে আছে। আমি একটা চুষতে লাগলাম, জিভ দিয়ে চাটতে চাটতে দাঁত দিয়ে কামড়ালাম। মা চিৎকার করে উঠলেন, “আহহহ, সিয়াম! তোর মায়ের দুধ চুষে খা, আরেকটা হাত দিয়ে চেপে ধর।”
আমি তার প্যান্টি খুলে ফেললাম। তার ভোদা পুরোপুরি কামে ভিজে, লোম কিছু কামানো, ঠোঁট দুটো ফোলা আর গোলাপি। আমি আঙুল ঢুকিয়ে ঘষতে লাগলাম, “মা, তোমার এই চুদির ভোদাটা কতটা টাইট, দেখি কতটা রস বের হয়।” মা পা ছড়িয়ে বললেন, “আর আঙুল দিস না, তোর মোটা বাড়া ঢুকিয়ে চোদ। মায়ের গুদ ফাটিয়ে দে, রস ঢেলে দে।” আমি আমার ৭ ইঞ্চি লম্বা মোটা লাঠি বের করে তার মুখে দিলাম। মা চুষতে লাগলেন, “উম্মম, সিয়ামের বাড়া এত স্বাদ, মা চুষে খাচ্ছে।” তার জিভ দিয়ে মাথা চাটতে চাটতে গলার গভীরে নিলেন।
তারপর আমি তার পায়ের ফাঁকে গিয়ে লাঠি ঢুকিয়ে দিলাম। এক ঠেলাতেই পুরোটা ঢুকে গেল, মা চিৎকার করে উঠলেন, “আহহহ ফাটছে রে! তোর মায়ের ভোদা ফাটিয়ে দিচ্ছিস! জোরে চোদ, মা’র গুদ মার!” আমি জোরে জোরে থাপ্পড় মারতে মারতে চুদতে লাগলাম। তার স্তন দুটো দুলছে, আমি একটা চেপে ধরে টানছি। মা বলছেন, “আরো জোরে, তোর মায়ের পাছায় থাপ্পড় মার, গুদের রস বের করে দে।” আমি তার পাছায় থাপ্পড় মারছি, চামড়া লাল হয়ে যাচ্ছে।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা আমরা বিভিন্ন পজিশনে চুদলাম। কুকুরের মতো পিছন থেকে, মা উপরে উঠে বসে চোদাচুদি করলেন, তার ভোদা আমার লাঠির ওপর ঘষা খাচ্ছে। রস ঝরে ঝরে আমার পেট ভিজে যাচ্ছে। মা বলছেন, “সিয়াম, মায়ের ভোদায় তোর বাড়া ঢুকিয়ে রাখ, এভাবেই চিরকাল চোদবি।” শেষে আমি তার ভোদায় মাল ঢেলে দিলাম, গরম রস তার ভেতরে ভরে গেল। মা কাঁপতে কাঁপতে অর্গাজম করলেন, “আহহহ, মায়ের গুদ ভরে গেল তোর মালে!”
রাতভর আমরা আবার চুদলাম, মা আমার মুখে বসে তার ভোদা চাটতে বললেন। আমি তার ক্লিট চুষতে চুষতে আঙুল ঢুকিয়ে মাল বের করলাম। সকালে মা বললেন, “এটা আমাদের গোপন রাখবি, কিন্তু প্রতি রাতে এভাবে চোদবি।” আমি হাসলাম, “ঠিক আছে মা, তোমার এই গরম শরীরটা আমারই।”
(গল্প এখানে শেষ, কিন্তু আমাদের এই নোংরা খেলা চলতেই থাকবে।)