
হাই বন্ধুরা, আমি সিয়াম খান। ঢাকার গুলশানে থাকি, বয়স ৩২। আমার বউ রুমানা খুবই সুন্দরী, ২৮ বছর বয়স, ফর্সা গায়ের রং, বড় বড় স্তন আর গোলাপি চোদার মতো ঠোঁট। আমরা দুজনেই খুবই কামুক। একদিন আমার দুই ক্লোজ ফ্রেন্ড রোহান আর হামিদ এসেছিল আমাদের ফ্ল্যাটে। রোহানের বউ প্রিয়া আর হামিদের গার্লফ্রেন্ড মীরা ছিল তাদের সাথে। রুমানা আগে থেকেই বলেছিল, “সিয়াম, আজ রাতে সবাই মিলে গ্রুপে চোদাচুদি করব। আমার শরীরে সবার লাঠি ঢুকবে।”
রাত ১০টার দিকে আমরা সবাই লাউঞ্জে বসে মদ খাচ্ছিলাম। রুমানা শর্ট ড্রেস পরে ছিল, তার স্তনের ফাঁক দেখা যাচ্ছিল। হামিদ বলল, “রুমানা, তোর বুক দুটো কত বড় রে!” রুমানা হেসে বলল, “চোদার সময় দেখবি কত টাইট হয়।” প্রিয়া আর মীরাও উত্তেজিত হয়ে উঠল। আমি রুমানার ড্রেস খুলে দিলাম। তার স্তন দুটো বেরিয়ে এল, কালো কালো নিপল শক্ত হয়ে আছে। আমি তার একটা স্তন চুষতে শুরু করলাম, আর রোহান তার পাছায় হাত বুলাতে লাগল।
রুমানা আমার লাঠি বের করে চুষতে শুরু করল। তার জিভ দিয়ে মাথায় ঘষে ঘষে চুষছে, থুতু পড়ছে। হামিদ তার পাছার ফাঁকে আঙুল ঢুকিয়ে দিল। রুমানা চিৎকার করে বলল, “হ্যাঁ, আরও গভীরে ঢোকাও! আমার চোদ ফাঁক করে দাও!” প্রিয়া মীরার সাথে জড়িয়ে পড়ল, দুজনে একে অপরের চোদ চাটতে লাগল। মীরা বলল, “প্রিয়া তোর চোদটা কত গরম, চাটতে ভালো লাগছে।”
আমি রুমানাকে শোয়ালাম সোফায়। তার পা দুটো চওড়া করে ফাঁক করে দিয়ে তার চোদে আমার লাঠি ঢুকিয়ে দিলাম। চোদটা খুব টাইট, রস বেরোচ্ছে। আমি জোরে জোরে চোদতে লাগলাম, “রুমানা, তোর চোদটা কত মজার, আমার লাঠি পুরো ঢুকে যাচ্ছে।” রোহান তার মুখে লাঠি ঢুকিয়ে দিল, রুমানা দুটো লাঠি একসাথে চুষছে আর চোদ খাচ্ছে। হামিদ তার পাছায় লাঠি ঢুকিয়ে দিল। এখন রুমানার তিনটা ফুটোতে তিনটা লাঠি ঢুকছে। সে চিৎকার করছে, “আরও জোরে চোদো, আমার শরীরটা ফাটিয়ে দাও! সবার বীর্য আমার মুখে আর চোদে ঢেলে দাও!”
প্রিয়া আর মীরা একসাথে ৬৯ পজিশনে চাটাচাটি করছে। আমি প্রিয়ার পাছায় আঙুল ঢুকিয়ে তার চোদ চাটতে লাগলাম। তার চোদ থেকে রস বেরিয়ে আমার মুখ ভিজিয়ে দিচ্ছে। হামিদ মীরার স্তন দুটো চেপে ধরে তার চোদে লাঠি মারছে। মীরা চিৎকার করছে, “হামিদ, তোর লাঠি আমার চোদ ফাটিয়ে দিচ্ছে, আরও গভীরে মার!”
রুমানাকে উল্টিয়ে দিয়ে তার পাছায় আমি লাঠি ঢুকালাম। তার পাছার ফাঁকটা খুব টাইট, কিন্তু রস লাগিয়ে ঢুকিয়ে দিলাম। রোহান তার মুখে লাঠি ঢুকিয়ে চোদাচ্ছে। হামিদ তার স্তন চুষছে আর আঙুল দিয়ে চোদ চুলকাচ্ছে। রুমানা কাঁপতে কাঁপতে বলল, “আমি আজ রাতে সবার বীর্য খাবো, আমার শরীরটা সবার লাঠিতে ভরে দাও!” আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা চোদাচুদি করলাম। বিভিন্ন পজিশনে – ডগি স্টাইলে, কাউগার্ল, স্ট্যান্ডিং। রুমানার চোদ, পাছা আর মুখ সব ভিজে গেছে থুতু আর রসে।
প্রিয়া আমার লাঠি চুষে নিল, তারপর আমি তার চোদে ঢুকিয়ে দিলাম। তার চোদটা আরও টাইট, সে চিৎকার করছে, “সিয়াম, তোর লাঠি আমার ভিতরে পুরো ঢুকে যাচ্ছে, আমার স্তন দুটো চেপে ধর!” হামিদ প্রিয়ার পাছায় লাঠি মারছে, রোহান মীরার চোদ চাটছে। সবাই একসাথে চিৎকার করছে, “চোদো, আরও জোরে চোদো!”
শেষে আমরা সবাই একসাথে ঝড়ে গেলাম। রুমানার মুখে আমার বীর্য ঢেলে দিলাম, সে সব চেটে খেল। হামিদ আর রোহান তাদের বীর্য রুমানার স্তন আর চোদে ঢেলে দিল। প্রিয়া আর মীরাও একে অপরের মুখে বীর্য খেল। রাত শেষ হলেও আমাদের শরীর ক্লান্ত হয়নি, সবাই আবার নতুন করে শুরু করলাম। এই ছিল আমার প্রথম গ্রুপ চোদাচুদির অভিজ্ঞতা, যা ভুলবার নয়।